ঢাকা ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমারখালীতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

Oplus_0

কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বজ্রপাতে আলম শেখ (৫৫) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাত সোয়া ৮টার দিকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের সিংদহ গ্রামের মৃত জুলমত শেখের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, কৃষক আলম শেখ শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সিংদহ মাঠে নিজ জমির ধানক্ষেত দেখতে গিয়েছিলেন। পরে তিনি আর বাড়ি না ফিরে আসায় স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এরপর সন্ধা ৬টার দিকে সিংদহ মাঠ থেকে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে এসে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখানে অবস্থায় অবনতি হলে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্বজনদের ভাষ্য, বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। কৃষক আলমের প্রতিবেশী ভাই মো. সেলিম বলেন, বিকেল ধানক্ষেত দেখতে গিয়ে আলম বজ্রপাতে আহত হয়ে মাঠে পড়েছিল। বাড়ি ফিরতে দেরি হওয়ায় খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সন্ধায় তাকে মাঠ থেকে উদ্ধার করে প্রথমে বাড়ি আনা হয়। পরে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে জানতে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল চিকিৎসক তাপস কুমার সরকারকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি)  নজরুল ইসলামের সরকারি মোবাইল নাম্বারে বার বার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। সেজন্য তাঁর মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম বলেন, ধানক্ষেত দেখতে গিয়ে বজ্রপাতে আলম শেখ নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমারখালীতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

আপডেট সময় ১২:৪৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৪

কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বজ্রপাতে আলম শেখ (৫৫) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাত সোয়া ৮টার দিকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের সিংদহ গ্রামের মৃত জুলমত শেখের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, কৃষক আলম শেখ শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সিংদহ মাঠে নিজ জমির ধানক্ষেত দেখতে গিয়েছিলেন। পরে তিনি আর বাড়ি না ফিরে আসায় স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এরপর সন্ধা ৬টার দিকে সিংদহ মাঠ থেকে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে এসে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখানে অবস্থায় অবনতি হলে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্বজনদের ভাষ্য, বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। কৃষক আলমের প্রতিবেশী ভাই মো. সেলিম বলেন, বিকেল ধানক্ষেত দেখতে গিয়ে আলম বজ্রপাতে আহত হয়ে মাঠে পড়েছিল। বাড়ি ফিরতে দেরি হওয়ায় খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সন্ধায় তাকে মাঠ থেকে উদ্ধার করে প্রথমে বাড়ি আনা হয়। পরে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে জানতে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল চিকিৎসক তাপস কুমার সরকারকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি)  নজরুল ইসলামের সরকারি মোবাইল নাম্বারে বার বার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। সেজন্য তাঁর মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম বলেন, ধানক্ষেত দেখতে গিয়ে বজ্রপাতে আলম শেখ নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।