ঢাকা ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
কুষ্টিয়া পুলিশ লাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজ

দুই শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত, অবরোধ প্রত্যাহার

নিজ সংবাদ ॥ যৌন হয়রানি ও নৈতিক স্খলন অভিযোগে কুষ্টিয়া পুলিশ লাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক শহাজালাল ও কলেজ শাখার হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক কামরুজ্জামান সম্রাটকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডির সভায় ওই দুই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার ও প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মো. মিজানুর রহমান এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন। শিক্ষক শাহজালাল ও কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগসহ ১০ দফা লিখিত দাবিনামা তদন্তে গত ২৪ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়ার এসপি ও প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মো. মিজানুর রহমান পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। এছাড়া তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত সহ অভিযুক্ত ওই দুই শিক্ষককে পাঠদানে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু দশ দিন পরও গঠিত তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দাখিল কিংবা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় ফুঁসে উঠে শিক্ষার্থীরা। প্রতিবাদে শতশত বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী বৃহস্পতিবার সকালে রাস্তায় নেমে আসে। এ সময় স্কুলের সামনে কুষ্টিয়া-দাশুড়িয়া জাতীয় মহাসড়কটি তিন ঘণ্টাব্যাপী অবরোধ করে রাখে শিক্ষার্থীরা। কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, গভর্নিং বডির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক অভিযুক্ত দুই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া তদন্ত কমিটির কার্যক্রম রয়েছে চলমান। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে বলে তিনি জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়া পুলিশ লাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজ

দুই শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত, অবরোধ প্রত্যাহার

আপডেট সময় ১০:৩৩:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অক্টোবর ২০২৪

নিজ সংবাদ ॥ যৌন হয়রানি ও নৈতিক স্খলন অভিযোগে কুষ্টিয়া পুলিশ লাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক শহাজালাল ও কলেজ শাখার হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক কামরুজ্জামান সম্রাটকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডির সভায় ওই দুই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার ও প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মো. মিজানুর রহমান এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন। শিক্ষক শাহজালাল ও কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগসহ ১০ দফা লিখিত দাবিনামা তদন্তে গত ২৪ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়ার এসপি ও প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মো. মিজানুর রহমান পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। এছাড়া তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত সহ অভিযুক্ত ওই দুই শিক্ষককে পাঠদানে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু দশ দিন পরও গঠিত তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দাখিল কিংবা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় ফুঁসে উঠে শিক্ষার্থীরা। প্রতিবাদে শতশত বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী বৃহস্পতিবার সকালে রাস্তায় নেমে আসে। এ সময় স্কুলের সামনে কুষ্টিয়া-দাশুড়িয়া জাতীয় মহাসড়কটি তিন ঘণ্টাব্যাপী অবরোধ করে রাখে শিক্ষার্থীরা। কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, গভর্নিং বডির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক অভিযুক্ত দুই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া তদন্ত কমিটির কার্যক্রম রয়েছে চলমান। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে বলে তিনি জানান।