ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমপি আজীম হত্যা : আটকের পর ডিবিতে আ.লীগ নেতা মিন্টু

  • ডিপি ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৪:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুন ২০২৪
  • 91

সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার ঘটনায় ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়। একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করলেও তাকে আটক ও জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিবি কোনো মন্তব্য করেনি।

ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি আজীম হত্যার বিষয়ে নতুন নতুন তথ্য উঠে আসছে। তদন্তের শুরুর দিকে চোরাচালানের কারণে হত্যাকাণ্ড হতে পারে এমন বিষয় সামনে আসে। তবে এখন সেটি মোড় নিয়েছে রাজনীতির দিকে। নিহতের পরিবারেরও দাবি, রাজনৈতিক বিরোধে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক কামাল গিয়াস বাবুসহ আরও কয়েকজনকে সন্দেহ তাদের। ইতোমধ্যে স্থানীয় ৩-৪ জন রাজনৈতিক নেতা গোয়েন্দা নজরদারিতে রয়েছেন। তথ্যপ্রমাণে সাপেক্ষে যেকোনো সময় গ্রেপ্তার করা হতে পারে তাদের।

তদন্ত সূত্র জানিয়েছে, এমপি আজীম হত্যার পরিকল্পনাকারী আক্তারুজ্জামান শাহীনের সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল মিন্টুর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। কয়েকদিন ধরেই তাকে নজরদারিতে রাখা হয়। কারণ যারা খুনি ছিল তাদের ফোন থেকে এসএমএস ও ছবি গেছে তার ফোনে। এমন যাদের মোবাইল ফোনে ছবি ও ম্যাসেজে গেছে তারাও গোয়েন্দা নজরদারিতে রয়েছে।
 

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপি আজীম হত্যা : আটকের পর ডিবিতে আ.লীগ নেতা মিন্টু

আপডেট সময় ১০:১৪:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুন ২০২৪

সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার ঘটনায় ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়। একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করলেও তাকে আটক ও জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিবি কোনো মন্তব্য করেনি।

ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি আজীম হত্যার বিষয়ে নতুন নতুন তথ্য উঠে আসছে। তদন্তের শুরুর দিকে চোরাচালানের কারণে হত্যাকাণ্ড হতে পারে এমন বিষয় সামনে আসে। তবে এখন সেটি মোড় নিয়েছে রাজনীতির দিকে। নিহতের পরিবারেরও দাবি, রাজনৈতিক বিরোধে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক কামাল গিয়াস বাবুসহ আরও কয়েকজনকে সন্দেহ তাদের। ইতোমধ্যে স্থানীয় ৩-৪ জন রাজনৈতিক নেতা গোয়েন্দা নজরদারিতে রয়েছেন। তথ্যপ্রমাণে সাপেক্ষে যেকোনো সময় গ্রেপ্তার করা হতে পারে তাদের।

তদন্ত সূত্র জানিয়েছে, এমপি আজীম হত্যার পরিকল্পনাকারী আক্তারুজ্জামান শাহীনের সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল মিন্টুর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। কয়েকদিন ধরেই তাকে নজরদারিতে রাখা হয়। কারণ যারা খুনি ছিল তাদের ফোন থেকে এসএমএস ও ছবি গেছে তার ফোনে। এমন যাদের মোবাইল ফোনে ছবি ও ম্যাসেজে গেছে তারাও গোয়েন্দা নজরদারিতে রয়েছে।