ঢাকা ১১:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণভোটে সরকারি চাকরিজীবীদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণায় ইসির নিষেধাজ্ঞা

প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’-এর পক্ষে কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তারা জনগণকে গণভোট বিষয়ে অবহিত বা সচেতন করতে পারবেন। তবে তারা কোনোভাবেই কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের (হ্যাঁ বা না) হয়ে ভোট প্রদানের আহ্বান জানাতে পারবেন না।

সরকারি কর্মকর্তাদের এ ধরনের প্রচারণা বা কর্মকাণ্ড গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, যদি কেউ এ নির্দেশ অমান্য করে কোনো পক্ষের হয়ে প্রচারণায় নামেন, তবে তা প্রচলিত আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

নির্দেশনাটি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি), আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া বিষয়টি অবহিতকরণ ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি অনুলিপি পাঠানো হয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব, সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, বাংলাদেশ পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপিসহ সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একই সঙ্গে সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। সরকার ইতোমধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছে। সরকারের উপদেষ্টাদের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানও প্রচারে অংশ নিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গণভোটে সরকারি চাকরিজীবীদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণায় ইসির নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় ১২:৩২:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’-এর পক্ষে কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তারা জনগণকে গণভোট বিষয়ে অবহিত বা সচেতন করতে পারবেন। তবে তারা কোনোভাবেই কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের (হ্যাঁ বা না) হয়ে ভোট প্রদানের আহ্বান জানাতে পারবেন না।

সরকারি কর্মকর্তাদের এ ধরনের প্রচারণা বা কর্মকাণ্ড গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, যদি কেউ এ নির্দেশ অমান্য করে কোনো পক্ষের হয়ে প্রচারণায় নামেন, তবে তা প্রচলিত আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

নির্দেশনাটি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি), আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া বিষয়টি অবহিতকরণ ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি অনুলিপি পাঠানো হয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব, সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, বাংলাদেশ পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপিসহ সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একই সঙ্গে সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। সরকার ইতোমধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছে। সরকারের উপদেষ্টাদের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানও প্রচারে অংশ নিচ্ছে।