ঢাকা ০৪:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওসমান হাদির জানাজা সম্পন্ন

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মানুষের অংশ গ্রহণে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। জানাজার নামাজ পড়ান তার বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক। এর পর শহীদ ওসমান হাদির দাফন হবে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশেই।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটেজাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার জানাজা সম্পন্ন হয়।

এর আগে সকাল থেকেই বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে এসে জড়ো হতে থাকেন লাখো মানুষ। খামারবাড়ি থেকে আসাদ গেট পর্যন্ত পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

দীর্ঘ সময় সারিবদ্ধভাবে অপেক্ষা করার পর সকাল সাড়ে ১০টায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাধারণ জনতাকে দক্ষিণ প্লাজায় প্রবেশের অনুমতি দেন। ভিড় সামাল দিতে প্রতিটি প্রবেশপথে কড়াকড়ি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয় পুলিশ। চীন থেকে আনা আটটি আর্চওয়ে গেট দিয়ে ছাত্র-জনতা দক্ষিণ প্লাজায় প্রবেশ করছেন।
রাজধানী ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে জানাজায় অংশ নিতে ছুটে এসেছেন মানুষ। যে যেভাবে পেরেছেন, সময়ের আগেই পৌঁছান।

এদিকে, জানাজাকে ঘিরে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুরো এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ও নজরদারি নিশ্চিত করা হয়।

এদিন বেলা পৌনে ১১টার দিকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে শহীদ হাদির মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। সেখান থেকে মরদেহ জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নেয়া হয়। এরপর মরদেহের গোসলের কাজ শেষে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা সম্পন্ন হয়।

গত ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগের জন্য রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গেলে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হাদিকে গুলি করা হয়। গুলিটি তার মাথায় লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে হাদিকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে ১৮ ডিসেম্বর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাদি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ওসমান হাদির জানাজা সম্পন্ন

আপডেট সময় ০৪:২৭:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মানুষের অংশ গ্রহণে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। জানাজার নামাজ পড়ান তার বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক। এর পর শহীদ ওসমান হাদির দাফন হবে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশেই।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটেজাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার জানাজা সম্পন্ন হয়।

এর আগে সকাল থেকেই বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে এসে জড়ো হতে থাকেন লাখো মানুষ। খামারবাড়ি থেকে আসাদ গেট পর্যন্ত পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

দীর্ঘ সময় সারিবদ্ধভাবে অপেক্ষা করার পর সকাল সাড়ে ১০টায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাধারণ জনতাকে দক্ষিণ প্লাজায় প্রবেশের অনুমতি দেন। ভিড় সামাল দিতে প্রতিটি প্রবেশপথে কড়াকড়ি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয় পুলিশ। চীন থেকে আনা আটটি আর্চওয়ে গেট দিয়ে ছাত্র-জনতা দক্ষিণ প্লাজায় প্রবেশ করছেন।
রাজধানী ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে জানাজায় অংশ নিতে ছুটে এসেছেন মানুষ। যে যেভাবে পেরেছেন, সময়ের আগেই পৌঁছান।

এদিকে, জানাজাকে ঘিরে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুরো এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ও নজরদারি নিশ্চিত করা হয়।

এদিন বেলা পৌনে ১১টার দিকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে শহীদ হাদির মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। সেখান থেকে মরদেহ জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নেয়া হয়। এরপর মরদেহের গোসলের কাজ শেষে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা সম্পন্ন হয়।

গত ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগের জন্য রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গেলে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হাদিকে গুলি করা হয়। গুলিটি তার মাথায় লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে হাদিকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে ১৮ ডিসেম্বর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাদি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।