ঢাকা ০৯:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুয়াজ্জিনকে লাঞ্ছিত-মারধর করেন বিএনপি নেতা, প্রতিবাদে বিক্ষোভ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন (খাদিম) আব্দুল লতিফকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জয়নাল চৌধুরীর বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (২০ অক্টোবর) জোহরের নামাজের পর মসজিদের ভেতরে। ঘটনার প্রতিবাদে মুসল্লিরা বিক্ষোভ করেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মুয়াজ্জিন আব্দুল লতিফ দরজা লাগাচ্ছিলেন, তখন বিএনপি নেতা জয়নাল চৌধুরী দরজার শব্দ শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে মুয়াজ্জিনের ওপর চড়াও হন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, কোনো কথাই শোনেননি তিনি এবং ধমক ও মারধর চালিয়েছেন।

ঘটনার পর মুসল্লিদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এশার নামাজের পর স্থানীয় মুসল্লি ও সর্বদলীয় ইসলামী ছাত্র ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভকারীরা অভিযুক্ত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

ভুক্তভোগী মুয়াজ্জিন আব্দুল লতিফ বলেন, “আমি প্রতিদিনের মতো নামাজ শেষে দরজা লাগাচ্ছিলাম। হঠাৎ জয়নাল সাহেব এসে রেগে গিয়ে আমাকে ধমক দেন। কিছু বলার আগেই আমার গায়ে হাত তোলেন। আমি ১৫ বছর ধরে এই মসজিদে সেবা করছি, কখনো এমন আচরণ পাইনি। আল্লাহর ঘরে অপমানিত হওয়ার বিষয়টি খুব কষ্টের।”

শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও মসজিদ কমিটির উপদেষ্টা নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, “এটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা। আমরা বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি।”

শ্রীমঙ্গল থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, “ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগকারীরা সংশোধনের আশ্বাস দিয়েছেন, কিন্তু এখনও আসেননি। পুলিশ কাউকে হেফাজতে নেয়নি।”

জনপ্রিয় সংবাদ

মুয়াজ্জিনকে লাঞ্ছিত-মারধর করেন বিএনপি নেতা, প্রতিবাদে বিক্ষোভ

আপডেট সময় ০২:১৭:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন (খাদিম) আব্দুল লতিফকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জয়নাল চৌধুরীর বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (২০ অক্টোবর) জোহরের নামাজের পর মসজিদের ভেতরে। ঘটনার প্রতিবাদে মুসল্লিরা বিক্ষোভ করেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মুয়াজ্জিন আব্দুল লতিফ দরজা লাগাচ্ছিলেন, তখন বিএনপি নেতা জয়নাল চৌধুরী দরজার শব্দ শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে মুয়াজ্জিনের ওপর চড়াও হন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, কোনো কথাই শোনেননি তিনি এবং ধমক ও মারধর চালিয়েছেন।

ঘটনার পর মুসল্লিদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এশার নামাজের পর স্থানীয় মুসল্লি ও সর্বদলীয় ইসলামী ছাত্র ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভকারীরা অভিযুক্ত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

ভুক্তভোগী মুয়াজ্জিন আব্দুল লতিফ বলেন, “আমি প্রতিদিনের মতো নামাজ শেষে দরজা লাগাচ্ছিলাম। হঠাৎ জয়নাল সাহেব এসে রেগে গিয়ে আমাকে ধমক দেন। কিছু বলার আগেই আমার গায়ে হাত তোলেন। আমি ১৫ বছর ধরে এই মসজিদে সেবা করছি, কখনো এমন আচরণ পাইনি। আল্লাহর ঘরে অপমানিত হওয়ার বিষয়টি খুব কষ্টের।”

শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও মসজিদ কমিটির উপদেষ্টা নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, “এটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা। আমরা বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি।”

শ্রীমঙ্গল থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, “ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগকারীরা সংশোধনের আশ্বাস দিয়েছেন, কিন্তু এখনও আসেননি। পুলিশ কাউকে হেফাজতে নেয়নি।”