ঢাকা ০৬:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পেলেন ১১১ প্রধান শিক্ষক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে অস্থায়ী ভিত্তিতে ১১১ জনকে নিয়োগ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

১৫ অক্টোবর, বুধবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-২ শাখা।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনটি জারি করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ডা. ফাহিম ইকবাল জাগীরদার।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) কর্তৃক ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কিন্তু পদ স্বল্পতার কারণে ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত নন এমন প্রার্থীদের মধ্য থেকে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০১৪ সালের একটি স্মারকের ভিত্তিতে এ নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়। নিয়োগপ্রাপ্তদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (প্রশিক্ষণবিহীন) হিসেবে দ্বিতীয় শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী গ্রেড-১২ (১১,৩০০–২৭,৩০০ টাকা) স্কেলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিয়োগ প্রাপ্তদের প্রথমে দুই বছর শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হবে। এ সময়ের মধ্যে কেউ অযোগ্য বিবেচিত হলে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই চাকরি থেকে অপসারণ করা যাবে।

শিক্ষানবিশকাল সন্তোষজনক হলে বিধি অনুযায়ী স্থায়ী করা হবে। এছাড়া, নিয়োগপ্রাপ্তদের মেধাতালিকা অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে। কেউ বাংলাদেশের নাগরিক নন এমন ব্যক্তির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলে বা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলে নিয়োগ বাতিল বলে গণ্য হবে।

চাকরি সরকারের প্রচলিত বিধি-বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হবে এবং ভবিষ্যতে প্রণীত নতুন নীতিমালাও প্রযোজ্য হবে বলে উল্লেখ করা হয়। নিয়োগের পর কোনো ভ্রমণ বা দৈনিক ভাতা প্রদান করা হবে না।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, প্রশিক্ষণবিহীন প্রার্থীদের চার বছরের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য মৌলিক প্রশিক্ষণ (বিটিপিটি) সম্পন্ন করতে হবে। কেউ মিথ্যা বা ভুয়া সনদপত্র দিলে নিয়োগ বাতিলের পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে যোগদান না করলে নিয়োগ আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে।

প্রার্থীরা সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে যোগদানপত্র জমা দেবেন। অফিসার প্রত্যয়নপত্র প্রদানের পর প্রার্থীরা বিদ্যালয়ে যোগ দেবেন। ওই তারিখই চাকরিতে যোগদানের দিন হিসেবে বিবেচিত হবে।

জানানো হয়েছে, নিয়োগকৃত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা সরকারি কোড ১২৪০২০৯০০০০০০ ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহ’ খাত থেকে প্রদান করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নিয়োগপ্রাপ্তদের পদায়নের জন্য জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পেলেন ১১১ প্রধান শিক্ষক

আপডেট সময় ১০:৫৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে অস্থায়ী ভিত্তিতে ১১১ জনকে নিয়োগ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

১৫ অক্টোবর, বুধবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-২ শাখা।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনটি জারি করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ডা. ফাহিম ইকবাল জাগীরদার।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) কর্তৃক ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কিন্তু পদ স্বল্পতার কারণে ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত নন এমন প্রার্থীদের মধ্য থেকে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০১৪ সালের একটি স্মারকের ভিত্তিতে এ নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়। নিয়োগপ্রাপ্তদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (প্রশিক্ষণবিহীন) হিসেবে দ্বিতীয় শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী গ্রেড-১২ (১১,৩০০–২৭,৩০০ টাকা) স্কেলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিয়োগ প্রাপ্তদের প্রথমে দুই বছর শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হবে। এ সময়ের মধ্যে কেউ অযোগ্য বিবেচিত হলে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই চাকরি থেকে অপসারণ করা যাবে।

শিক্ষানবিশকাল সন্তোষজনক হলে বিধি অনুযায়ী স্থায়ী করা হবে। এছাড়া, নিয়োগপ্রাপ্তদের মেধাতালিকা অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে। কেউ বাংলাদেশের নাগরিক নন এমন ব্যক্তির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলে বা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলে নিয়োগ বাতিল বলে গণ্য হবে।

চাকরি সরকারের প্রচলিত বিধি-বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হবে এবং ভবিষ্যতে প্রণীত নতুন নীতিমালাও প্রযোজ্য হবে বলে উল্লেখ করা হয়। নিয়োগের পর কোনো ভ্রমণ বা দৈনিক ভাতা প্রদান করা হবে না।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, প্রশিক্ষণবিহীন প্রার্থীদের চার বছরের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য মৌলিক প্রশিক্ষণ (বিটিপিটি) সম্পন্ন করতে হবে। কেউ মিথ্যা বা ভুয়া সনদপত্র দিলে নিয়োগ বাতিলের পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে যোগদান না করলে নিয়োগ আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে।

প্রার্থীরা সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে যোগদানপত্র জমা দেবেন। অফিসার প্রত্যয়নপত্র প্রদানের পর প্রার্থীরা বিদ্যালয়ে যোগ দেবেন। ওই তারিখই চাকরিতে যোগদানের দিন হিসেবে বিবেচিত হবে।

জানানো হয়েছে, নিয়োগকৃত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা সরকারি কোড ১২৪০২০৯০০০০০০ ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহ’ খাত থেকে প্রদান করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নিয়োগপ্রাপ্তদের পদায়নের জন্য জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।