ঢাকা ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এলডিসি থেকে উত্তরণের পথে ডব্লিউটিও’র সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ। এই উত্তরণ মসৃণ করতে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) পূর্ণ সহায়তা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে ৮০তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ফাঁকে ডব্লিউটিওর মহাপরিচালক ড. এনগোজি ওকোনজো-ইওয়ালার সঙ্গে এক বৈঠকে এই বিষয়টি উত্থাপন করেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ডব্লিউটিওর মহাপরিচালক তার সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। ২০২৬ সালের শেষের দিকে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ লাভ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তাদের আলোচনায় দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংস্কার এবং বর্তমান বিশ্ব বাণিজ্যের চ্যালেঞ্জগুলোও উঠে এসেছে।

ড. ওকোনজো-ইওয়ালা জোর দিয়ে বলেছেন, ব্যাপক উদ্বেগ সত্ত্বেও বিশ্ব বাণিজ্য স্থিতিশীল রয়েছে।

একইসঙ্গে জেনেভাভিত্তিক সংস্থাটির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারগুলো এগিয়ে নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের সমর্থন কামনা করেন ডব্লিউটিও প্রধান। ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে তিনি বলেন, ডব্লিউটিওকে অবশ্যই সংস্কার করতে হবে। আমার আপনার সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। আমি এখানে আপনার নেতৃত্ব চাই।

এ সময় ড. ইউনূস বলেন, দ্রুত বিকশিত বিশ্ব বাণিজ্য পরিবেশে কার্যকরভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য সংস্থাটিকে অবশ্যই মানিয়ে নিতে হবে। চ্যালেঞ্জ গ্রহণের সময় এসেছে এবং অর্থপূর্ণ পরিবর্তনের সমর্থনে বাংলাদেশ তার কণ্ঠস্বর তুলতে প্রস্তুত।

বৈঠকে জ্বালানি ও পরিবহন উপদেষ্টা ফওজুল কবির খান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফী সিদ্দিকী এবং এসডিজি সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

এলডিসি থেকে উত্তরণের পথে ডব্লিউটিও’র সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০১:১৪:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ। এই উত্তরণ মসৃণ করতে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) পূর্ণ সহায়তা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে ৮০তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ফাঁকে ডব্লিউটিওর মহাপরিচালক ড. এনগোজি ওকোনজো-ইওয়ালার সঙ্গে এক বৈঠকে এই বিষয়টি উত্থাপন করেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ডব্লিউটিওর মহাপরিচালক তার সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। ২০২৬ সালের শেষের দিকে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ লাভ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তাদের আলোচনায় দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংস্কার এবং বর্তমান বিশ্ব বাণিজ্যের চ্যালেঞ্জগুলোও উঠে এসেছে।

ড. ওকোনজো-ইওয়ালা জোর দিয়ে বলেছেন, ব্যাপক উদ্বেগ সত্ত্বেও বিশ্ব বাণিজ্য স্থিতিশীল রয়েছে।

একইসঙ্গে জেনেভাভিত্তিক সংস্থাটির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারগুলো এগিয়ে নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের সমর্থন কামনা করেন ডব্লিউটিও প্রধান। ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে তিনি বলেন, ডব্লিউটিওকে অবশ্যই সংস্কার করতে হবে। আমার আপনার সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। আমি এখানে আপনার নেতৃত্ব চাই।

এ সময় ড. ইউনূস বলেন, দ্রুত বিকশিত বিশ্ব বাণিজ্য পরিবেশে কার্যকরভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য সংস্থাটিকে অবশ্যই মানিয়ে নিতে হবে। চ্যালেঞ্জ গ্রহণের সময় এসেছে এবং অর্থপূর্ণ পরিবর্তনের সমর্থনে বাংলাদেশ তার কণ্ঠস্বর তুলতে প্রস্তুত।

বৈঠকে জ্বালানি ও পরিবহন উপদেষ্টা ফওজুল কবির খান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফী সিদ্দিকী এবং এসডিজি সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদ উপস্থিত ছিলেন।