লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে আনন্দ পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস খালে পড়ে পাঁচজন নিহত হয়েছে।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮ টার দিকে চন্দ্রগঞ্জ কফিল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে রহমতখালী খালে পড়ে যায়। বাস থেকে অন্তত ১৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহতরা হলেন-মোরশেদ আলম, জয়নাল আবেদীন ও হুমায়ুনুর রশিদ। বাকি দুজনের নাম ও বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।
ঘটনার দুই ঘন্টা পার হলেও ঘটনাস্থলে ডুবুরি পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় উদ্ধারকারীদের। এছাড়া পানির তলদেশে কেউ ডুবে আছেন কি না তাও নিশ্চিত বলতে পারেনি ফায়ারসার্ভিস কর্মীরা। খালের তলদেশে এখনো যাত্রীরা থাকতে পারে বলে ধারণা তাদের।
এ ঘটনার পর উদ্ধার তৎপরতায় অসন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয় জনগণ উত্তেজিত হয়ে রয়েছেন। তাদের দাবি, ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা দেরিতে আসায় ক্ষতি বেশি হয়েছে।
অন্যদিকে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা দুর্ঘটনায় একাধিক মৃত্যু হয়েছে দাবি করে ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের বিরুদ্ধে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে নোয়াখালী থেকে ছেড়ে আসা লক্ষ্মীপুরগামী একটি যাত্রীবাহী বাস চন্দ্রগঞ্জ কফিল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সাননে রহমতখালী খালে পড়ে ডুবে যায়। ঘটনার পর প্রায় ১ ঘন্টা লক্ষ্মীপুর-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। এতে সড়কের দুইপাশে যানজটের সৃষ্টি হয়। ১ ঘন্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক করে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোবারক হোসেন বলেন, অচেতন অবস্থায় আমরা ঘটনাস্থল থেকে ৩ জনকে উদ্ধার করেছি। এরমধ্যে দুইজন মারা গেছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় কয়েকজনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফরিদ উদ্দিন বলেন, চন্দ্রগঞ্জে দুর্ঘটনায় নিহতদের মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট 










