ঢাকা ১১:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট শুরু অক্টোবরে: বেবিচক চেয়ারম্যান

কক্সবাজার বিমানবন্দরে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে আংশিকভাবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল শুরুর হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিকী। রোববার দুপুরে কক্সবাজার বিমানবন্দর পরিদর্শন শেষে এ কথা জানান তিনি।

বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, আমরা আজ বিমানবন্দরের দ্বিতীয় টার্মিনাল ও সাগরের বুকে নির্মিত হওয়া রানওয়ের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছি। তাতে মনে হয়েছে আগামী অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে আংশিকভাবে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিকী বলেন, কত শতাংশ কাজ শেষ তা বলা না গেলেও অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে শুরু করা সম্ভব। এর জন্য আমাদের প্রস্তুতি শেষের পথে।

পরিদর্শনকালে কক্সবাজার বিমানবন্দরের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ ইউনূছ ভুঁইয়া, বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক গোলাম মোর্তজা হাসানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বেবিচক সূত্রে জানা যায়, এ বিমানবন্দরটির রানওয়ে ১ হাজার ৭০০ ফুট নির্মাণ হচ্ছে সমুদ্রের ওপর। সম্প্রসারণের পর রানওয়ের দৈর্ঘ্য হবে ১০ হাজার ৭০০ ফুট বা ৩ দশমিক ২৬ কিলোমিটার। তৈরির পর এটিই হবে দেশের সবচেয়ে বড় রানওয়ে। মূলত নদীর বুক ছুঁয়েই বিমান ওঠানামা করবে এখানে।

বেবিচক সূত্রে জানা যায়, এ বিমানবন্দরটির রানওয়ে ১ হাজার ৭০০ ফুট নির্মাণ হচ্ছে সমুদ্রের ওপর। সম্প্রসারণের পর রানওয়ের দৈর্ঘ্য হবে ১০ হাজার ৭০০ ফুট বা ৩ দশমিক ২৬ কিলোমিটার। তৈরির পর এটিই হবে দেশের সবচেয়ে বড় রানওয়ে। মূলত নদীর বুক ছুঁয়েই বিমান ওঠানামা করবে এখানে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট শুরু অক্টোবরে: বেবিচক চেয়ারম্যান

আপডেট সময় ১২:২৩:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

কক্সবাজার বিমানবন্দরে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে আংশিকভাবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল শুরুর হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিকী। রোববার দুপুরে কক্সবাজার বিমানবন্দর পরিদর্শন শেষে এ কথা জানান তিনি।

বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, আমরা আজ বিমানবন্দরের দ্বিতীয় টার্মিনাল ও সাগরের বুকে নির্মিত হওয়া রানওয়ের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছি। তাতে মনে হয়েছে আগামী অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে আংশিকভাবে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিকী বলেন, কত শতাংশ কাজ শেষ তা বলা না গেলেও অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে শুরু করা সম্ভব। এর জন্য আমাদের প্রস্তুতি শেষের পথে।

পরিদর্শনকালে কক্সবাজার বিমানবন্দরের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ ইউনূছ ভুঁইয়া, বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক গোলাম মোর্তজা হাসানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বেবিচক সূত্রে জানা যায়, এ বিমানবন্দরটির রানওয়ে ১ হাজার ৭০০ ফুট নির্মাণ হচ্ছে সমুদ্রের ওপর। সম্প্রসারণের পর রানওয়ের দৈর্ঘ্য হবে ১০ হাজার ৭০০ ফুট বা ৩ দশমিক ২৬ কিলোমিটার। তৈরির পর এটিই হবে দেশের সবচেয়ে বড় রানওয়ে। মূলত নদীর বুক ছুঁয়েই বিমান ওঠানামা করবে এখানে।

বেবিচক সূত্রে জানা যায়, এ বিমানবন্দরটির রানওয়ে ১ হাজার ৭০০ ফুট নির্মাণ হচ্ছে সমুদ্রের ওপর। সম্প্রসারণের পর রানওয়ের দৈর্ঘ্য হবে ১০ হাজার ৭০০ ফুট বা ৩ দশমিক ২৬ কিলোমিটার। তৈরির পর এটিই হবে দেশের সবচেয়ে বড় রানওয়ে। মূলত নদীর বুক ছুঁয়েই বিমান ওঠানামা করবে এখানে।