ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি

না ফেরার দেশে শিক্ষার্থী জারিফ, মৃত্যু বেড়ে ৩৪

ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ আরেক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুটির নাম জারিফ (১৪)। এ নিয়ে মৃত্যু বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার (২৬ জুলাই) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এখনও তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি বলে জানা গেছে।

নিহত জারিফের বাবা মো. হাবিবুর রহমান জানান, পরিবার নিয়ে উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর, ৫ নম্বর রোডে থাকেন। তাদের বাড়ি রাজবাড়ীর সদর উপজেলার শ্রীপুর এলাকায়। দুই ছেলে-মেয়ের মধ্যে জারিফ ছিল ছোট। সে মাইলস্টোন স্কুলের সপ্তম শ্রেণিতে ইংলিশ ভার্সনে পড়ত।

এর আগে গত শুক্রবার (২৫) সকাল সাড়ে ৯টায় এবং দুপুরে বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আইমান (১০) ও মাকিন (১৩) নামে দুই শিক্ষার্থী মারা যায়। আইমানের শরীরের ৪৫ শতাংশ আর মাকিনের শরীরের ৭০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। এ নিয়ে বিমান দুর্গটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ১৬ জনের মৃত্যু হলো।

সবশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে মোট ভর্তির রয়েছেন ৩৯ জন। এর মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বার্ন আইসিউতে রয়েছেন চারজন। সিবিয়ার পর্যায়ের রোগী রয়েছেন ১০ জন।

গত ২১ জুলাই দুপুরে বিমান বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বিধ্বস্ত হয়। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এই সামরিক বিমান দুর্ঘটনায় যাদের মৃত্যু হয়েছে, যাদের বেশির ভাগই শিশু। এছাড়া ওই যুদ্ধবিমানের পাইলট, দুই শিক্ষক ও দুই অভিভাবকও রয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি

না ফেরার দেশে শিক্ষার্থী জারিফ, মৃত্যু বেড়ে ৩৪

আপডেট সময় ০৪:২১:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫

ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ আরেক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুটির নাম জারিফ (১৪)। এ নিয়ে মৃত্যু বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার (২৬ জুলাই) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এখনও তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি বলে জানা গেছে।

নিহত জারিফের বাবা মো. হাবিবুর রহমান জানান, পরিবার নিয়ে উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর, ৫ নম্বর রোডে থাকেন। তাদের বাড়ি রাজবাড়ীর সদর উপজেলার শ্রীপুর এলাকায়। দুই ছেলে-মেয়ের মধ্যে জারিফ ছিল ছোট। সে মাইলস্টোন স্কুলের সপ্তম শ্রেণিতে ইংলিশ ভার্সনে পড়ত।

এর আগে গত শুক্রবার (২৫) সকাল সাড়ে ৯টায় এবং দুপুরে বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আইমান (১০) ও মাকিন (১৩) নামে দুই শিক্ষার্থী মারা যায়। আইমানের শরীরের ৪৫ শতাংশ আর মাকিনের শরীরের ৭০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। এ নিয়ে বিমান দুর্গটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ১৬ জনের মৃত্যু হলো।

সবশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে মোট ভর্তির রয়েছেন ৩৯ জন। এর মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বার্ন আইসিউতে রয়েছেন চারজন। সিবিয়ার পর্যায়ের রোগী রয়েছেন ১০ জন।

গত ২১ জুলাই দুপুরে বিমান বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বিধ্বস্ত হয়। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এই সামরিক বিমান দুর্ঘটনায় যাদের মৃত্যু হয়েছে, যাদের বেশির ভাগই শিশু। এছাড়া ওই যুদ্ধবিমানের পাইলট, দুই শিক্ষক ও দুই অভিভাবকও রয়েছেন।