ঢাকা ০২:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মূল্যস্ফীতি ৬.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব নয় : সানেম

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৬ শতাংশে নামিয়ে আনার যে টার্গেট নির্ধারণ করা হয়েছে তা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান।

শনিবার (৮ জুন) সকালে ‘সানেম বাজেট পর্যালোচনা ২০২৪-২৫’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় বাজেট পর্যালোচনা তুলে ধরেন সানেমের গবেষণা পরিচালক ড. সায়মা হক বিদিশা।

ড. সেলিম রায়হান বলেন, অভ্যন্তরীণ বাজার ব্যবস্থাপনা ঠিকভাবে হচ্ছে না। নানা ব্যক্তি যখন তখন দাম বাড়াচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না। তেমন কোনো এফোর্ট দেখিনি। বাজেটে মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৬ শতাংশে নামিয়ে আনার কথা বলা হলেও সেটি আসলে সম্ভব নয়। আয়করের ওপর গুরুত্ব দেয়া উচিত ছিল কিন্তু পরোক্ষ করের ওপর আগের মতোই গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। অতি ধনীরা ঠিকভাবে কর দেয় না। তারা রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক যোগাযোগের কারণে কর ছাড় পেয়ে যায়। অতি ধনী ও ধনীদের থেকে কর আদায় না করতে পারলে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।

মুদ্রানীতিতে সমস্যা আছে জানিয়ে তিনি বলেন, যখন সুদহার বাড়ানো দরকার ছিল তখন সুদহার বাড়ানো হয়নি। কিন্তু যখন বাড়ানো হলো তখন এ সিস্টেমটি আর কাজ করছে না। গত আগস্টে সুদহার বাড়ানোর পরও মূল্যস্ফীতি কমছে না কেন প্রশ্ন রাখেন তিনি। মূল্যস্ফীতি সামনে আরো বাড়বে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যথাযথ উদ্যোগ নেয়া না গেলে চ্যালেঞ্জ আরো বাড়বে।

সানেমের গবেষণা পরিচালক ড. সায়মা হক বিদিশা বলেন, প্রতিবছর ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ বেড়েই চলেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া উচিত না। এতে মূল্যস্ফীতি আরো বেড়ে যেতে পারে। খোলাবাজারের সঙ্গে অফিশিয়ালি ডলারের দামে যতদিন পার্থক্য থাকবে ততদিন হুন্ডি চলতে থাকবে। এজন্য এ দুই জায়গায় ডলারের দর কাছাকাছি করা উচিত। এটি রোধ করতে হুন্ডি ও কালো টাকার দিকে কঠোর নজর দেয়া দরকার।

মূল্যস্ফীতি ৬.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব নয় : সানেম

আপডেট সময় ০৩:২০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুন ২০২৪

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৬ শতাংশে নামিয়ে আনার যে টার্গেট নির্ধারণ করা হয়েছে তা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান।

শনিবার (৮ জুন) সকালে ‘সানেম বাজেট পর্যালোচনা ২০২৪-২৫’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় বাজেট পর্যালোচনা তুলে ধরেন সানেমের গবেষণা পরিচালক ড. সায়মা হক বিদিশা।

ড. সেলিম রায়হান বলেন, অভ্যন্তরীণ বাজার ব্যবস্থাপনা ঠিকভাবে হচ্ছে না। নানা ব্যক্তি যখন তখন দাম বাড়াচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না। তেমন কোনো এফোর্ট দেখিনি। বাজেটে মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৬ শতাংশে নামিয়ে আনার কথা বলা হলেও সেটি আসলে সম্ভব নয়। আয়করের ওপর গুরুত্ব দেয়া উচিত ছিল কিন্তু পরোক্ষ করের ওপর আগের মতোই গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। অতি ধনীরা ঠিকভাবে কর দেয় না। তারা রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক যোগাযোগের কারণে কর ছাড় পেয়ে যায়। অতি ধনী ও ধনীদের থেকে কর আদায় না করতে পারলে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।

মুদ্রানীতিতে সমস্যা আছে জানিয়ে তিনি বলেন, যখন সুদহার বাড়ানো দরকার ছিল তখন সুদহার বাড়ানো হয়নি। কিন্তু যখন বাড়ানো হলো তখন এ সিস্টেমটি আর কাজ করছে না। গত আগস্টে সুদহার বাড়ানোর পরও মূল্যস্ফীতি কমছে না কেন প্রশ্ন রাখেন তিনি। মূল্যস্ফীতি সামনে আরো বাড়বে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যথাযথ উদ্যোগ নেয়া না গেলে চ্যালেঞ্জ আরো বাড়বে।

সানেমের গবেষণা পরিচালক ড. সায়মা হক বিদিশা বলেন, প্রতিবছর ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ বেড়েই চলেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া উচিত না। এতে মূল্যস্ফীতি আরো বেড়ে যেতে পারে। খোলাবাজারের সঙ্গে অফিশিয়ালি ডলারের দামে যতদিন পার্থক্য থাকবে ততদিন হুন্ডি চলতে থাকবে। এজন্য এ দুই জায়গায় ডলারের দর কাছাকাছি করা উচিত। এটি রোধ করতে হুন্ডি ও কালো টাকার দিকে কঠোর নজর দেয়া দরকার।