ঢাকা ১১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিএনপির শাসনামল ছিল সন্ত্রাস-দুর্নীতির অভয়ারণ্য : প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপির শাসনামল ছিল সন্ত্রাস, দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ, গ্রেনেড হামলা, সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য। দুর্নীতিতে সারা বিশ্বের কাছে ৫ বার সেরা হয়। তাদের অরাজকতা, দুঃশাসনের কারণে ইমার্জেন্সি আসে।

২০০১ সালের নির্বাচনে জয়লাভের পর অত্যাচার শুরু করছিল বিএনপি। ক্ষমতা হস্তান্তরের সঙ্গে সঙ্গে তারা ১৩ জন সচিবকে ওএসডি করে দেয়। শত শত অফিসারের চাকরি চলে যায়। এইভাবে অত্যাচার শুরু হয়।

৩০ ডিসেম্বর, শনিবার দুপুরে কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের নির্বাচন হচ্ছে সারা বাংলাদেশে। ৭ জানুয়ারি ২০২৪ সাল, আমরা ৫ বছর পূর্ণ করেছি, আবার নির্বাচন। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। মাদারীপুর বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিপূর্ণ জায়গা। চাকরির সূত্রে আমার দাদা এখানে কাজ করতেন। আমার বাবা এখানে পড়াশোনা করেছেন। আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি, এই জায়গাটা একসময় অন্ধকার ছিল, এখন আর সে সময় নেই। জাতির পিতা শুধু স্বাধীনতায় দেননি, তিনি আমাদের একটা সংবিধানও দিয়েছেন।

তিনি বলেন, অবৈধ ক্ষমতা দখল করে মিলিটারি ডিক্টেটর জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করে দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। এই দেশের মাথাপিছু আয় ছিল ৯১ মার্কিন ডলার, মাত্র ৩ বছর ৭ মাসের মধ্যে সে মাথাপিছু আয় ২৭৭ মার্কিন ডলারে উন্নীত করেছিলেন জাতির পিতা। কিন্তু ৭৫ এর পরে জিয়া-এরশাদ যারা ক্ষমতায় এসেছে মাথাপিছু আয় কিন্তু বাড়ায়নি। তারা সমস্ত অর্থ সম্পদ দিয়ে একটি এলিট জনগোষ্ঠী তৈরি করে জনগণের ভোট চুরি করে হ্যাঁ, না ভোট করে। একদিকে সেনা প্রধান, আরেকদিকে রাষ্ট্রপতি বেআইনিভাবে সংবিধান বিরোধীভাবে ব্যবহার করে একটি নির্বাচনি প্রহসন করে জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়। তারই উচ্ছিষ্ট থেকে তৈরি হয় বিএনপি নামক সংগঠন।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ খালেদা জিয়া পদত্যাগে বাধ্য হয়। ভোট চুরির কলঙ্ক মাথায় নিয়ে খালেদা জিয়া পদত্যাগ করে বিদায় নিয়েছিল। এর পরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয় লাভ করে। আমরা ক্ষমতায় এসে ৪০ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য ঘাটতি পেয়েছি। ঘরে ঘরে হাহাকার। মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই, ঘর নেই, পরনে কাপড় নেই। চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই। মাত্র ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হতো। সবার ঘরে অন্ধকার। দেশের এই দুরাবস্থায় আমরা ক্ষমতায় নেই। ৫ বছর আমরা ক্ষমতায় ছিলাম। এর মধ্যে ৪০ লাখ মেট্রিক টন পূরণ করে ২৬ লাখ মেট্রিক টন গোলায় রেখে যায়। বিদ্যুৎ উৎপাদন ৩ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করি।

এর আগে শনিবার দুপুর ২টার দিকে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় ভাষণ দেন তিনি।

শাটডাউন কর্মসূচিতে বিএনপির সমর্থন

বিএনপির শাসনামল ছিল সন্ত্রাস-দুর্নীতির অভয়ারণ্য : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:৪৬:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপির শাসনামল ছিল সন্ত্রাস, দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ, গ্রেনেড হামলা, সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য। দুর্নীতিতে সারা বিশ্বের কাছে ৫ বার সেরা হয়। তাদের অরাজকতা, দুঃশাসনের কারণে ইমার্জেন্সি আসে।

২০০১ সালের নির্বাচনে জয়লাভের পর অত্যাচার শুরু করছিল বিএনপি। ক্ষমতা হস্তান্তরের সঙ্গে সঙ্গে তারা ১৩ জন সচিবকে ওএসডি করে দেয়। শত শত অফিসারের চাকরি চলে যায়। এইভাবে অত্যাচার শুরু হয়।

৩০ ডিসেম্বর, শনিবার দুপুরে কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের নির্বাচন হচ্ছে সারা বাংলাদেশে। ৭ জানুয়ারি ২০২৪ সাল, আমরা ৫ বছর পূর্ণ করেছি, আবার নির্বাচন। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। মাদারীপুর বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিপূর্ণ জায়গা। চাকরির সূত্রে আমার দাদা এখানে কাজ করতেন। আমার বাবা এখানে পড়াশোনা করেছেন। আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি, এই জায়গাটা একসময় অন্ধকার ছিল, এখন আর সে সময় নেই। জাতির পিতা শুধু স্বাধীনতায় দেননি, তিনি আমাদের একটা সংবিধানও দিয়েছেন।

তিনি বলেন, অবৈধ ক্ষমতা দখল করে মিলিটারি ডিক্টেটর জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করে দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। এই দেশের মাথাপিছু আয় ছিল ৯১ মার্কিন ডলার, মাত্র ৩ বছর ৭ মাসের মধ্যে সে মাথাপিছু আয় ২৭৭ মার্কিন ডলারে উন্নীত করেছিলেন জাতির পিতা। কিন্তু ৭৫ এর পরে জিয়া-এরশাদ যারা ক্ষমতায় এসেছে মাথাপিছু আয় কিন্তু বাড়ায়নি। তারা সমস্ত অর্থ সম্পদ দিয়ে একটি এলিট জনগোষ্ঠী তৈরি করে জনগণের ভোট চুরি করে হ্যাঁ, না ভোট করে। একদিকে সেনা প্রধান, আরেকদিকে রাষ্ট্রপতি বেআইনিভাবে সংবিধান বিরোধীভাবে ব্যবহার করে একটি নির্বাচনি প্রহসন করে জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়। তারই উচ্ছিষ্ট থেকে তৈরি হয় বিএনপি নামক সংগঠন।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ খালেদা জিয়া পদত্যাগে বাধ্য হয়। ভোট চুরির কলঙ্ক মাথায় নিয়ে খালেদা জিয়া পদত্যাগ করে বিদায় নিয়েছিল। এর পরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয় লাভ করে। আমরা ক্ষমতায় এসে ৪০ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য ঘাটতি পেয়েছি। ঘরে ঘরে হাহাকার। মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই, ঘর নেই, পরনে কাপড় নেই। চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই। মাত্র ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হতো। সবার ঘরে অন্ধকার। দেশের এই দুরাবস্থায় আমরা ক্ষমতায় নেই। ৫ বছর আমরা ক্ষমতায় ছিলাম। এর মধ্যে ৪০ লাখ মেট্রিক টন পূরণ করে ২৬ লাখ মেট্রিক টন গোলায় রেখে যায়। বিদ্যুৎ উৎপাদন ৩ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করি।

এর আগে শনিবার দুপুর ২টার দিকে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় ভাষণ দেন তিনি।