ঢাকা ০১:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দক্ষিণ আফ্রিকাকে কাঁপিয়ে দিয়ে নেপালের ১ রানের হার

  • ডিপি ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪১:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪
  • 4

আর্নস ভেল গ্রাউন্ডের গ্যালারিতে ছেলেটির হাতে ছিল একটি প্ল্যাকার্ড। তাতে লেখা, ‘প্যাশন ও গর্ব গভীর হলে দূরত্ব কিছুই না। বিশ্বকাপে নেপালকে সমর্থন দিতে ১৬,২৮৭ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছি। কারণ কিছু স্বপ্ন প্রতিটি মাইলের সমান।’

তা, খুদে সেই সমর্থক এই বিশাল দূরত্ব পাড়ি দিয়ে কিংসটাউনে গিয়ে কি স্বপ্নপূরণ করতে পেরেছে? বলা ভালো, শুধু স্বপ্নপূরণই নয়, রীতিমতো ইতিহাসের সাক্ষী হতে হতে শেষ পর্যন্ত আর হয়নি! আরেকটু হলেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে ক্রিকেট বিশ্বে রীতিমতো ভূমিকম্প তুলে দিচ্ছিল নেপাল! কিন্তু শেষ পর্যন্ত হারতে হলো মাত্র ১ রানে। হ্যাঁ, বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো পরাক্রমশালী দলকে চোখ রাঙানি দিয়ে শেষ পর্যন্ত নেপালিজদেরই হৃদয় ভেঙেছে।

আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১১৫ রান তুলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তাড়া করতে নেমে নেপালের শেষ দুই ওভারে দরকার ছিল ১৬ রান। তখনই ম্যাচে ভর করে নাটকীয়তা। ১৯তম ওভারে কুশল মাল্লাকে হারিয়ে ৮ রান তুলতে পেরেছে নেপাল। জয়ের জন্য শেষ ওভারে দরকার ছিল ৮ রান। ওটনিল বার্টমানের করা শেষ ওভারের প্রথম ৫ বল থেকে একটি চারসহ ৬ রান নেন গুলশান ঝা। জয়ের জন্য শেষ বলে দরকার ছিল ২ রান। দুর্ভাগ্য, ঝা শেষ বলটি ব্যাটেই লাগাতে পারেননি। দৌড়ে রান নিয়ে ম্যাচটি টাই করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু নন স্ট্রাইকে অল্প দূরত্বের জন্য রান আউট হয়ে যান ঝা। মাত্র ১ রানের জয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার খেলোয়াড়দের শরীর থেকে যেন ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়েছে!

শেষ বলে বাউন্সার মেরেছিলেন বার্টমান। ঝা ব্যাটে লাগাতে না পারলেও অন্য প্রান্ত থেকে সোমপাল দৌড় দেন। ঝা-ও দৌড়ে নন স্ট্রাইক প্রান্তে গিয়ে ১ রান নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তার আগেই প্রোটিয়া উইকেটকিপার কুইন্টন ডি কক বলটা বোলারের প্রান্তে থ্রো করেন। দৌড়াতে থাকা ঝা-র গায়ে লেগে বল চলে যায় ক্রিজের পাশে থাকা হাইনরিখ ক্লাসেনের হাতে। যিনি বল ধরে কাছ থেকে স্টাম্প ভেঙে দিলে হৃদয় ভাঙে নেপালের। ৭ উইকেটে ১১৪ রানে থামে নেপালের ইনিংস।

শাটডাউন কর্মসূচিতে বিএনপির সমর্থন

দক্ষিণ আফ্রিকাকে কাঁপিয়ে দিয়ে নেপালের ১ রানের হার

আপডেট সময় ১১:৪১:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪

আর্নস ভেল গ্রাউন্ডের গ্যালারিতে ছেলেটির হাতে ছিল একটি প্ল্যাকার্ড। তাতে লেখা, ‘প্যাশন ও গর্ব গভীর হলে দূরত্ব কিছুই না। বিশ্বকাপে নেপালকে সমর্থন দিতে ১৬,২৮৭ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছি। কারণ কিছু স্বপ্ন প্রতিটি মাইলের সমান।’

তা, খুদে সেই সমর্থক এই বিশাল দূরত্ব পাড়ি দিয়ে কিংসটাউনে গিয়ে কি স্বপ্নপূরণ করতে পেরেছে? বলা ভালো, শুধু স্বপ্নপূরণই নয়, রীতিমতো ইতিহাসের সাক্ষী হতে হতে শেষ পর্যন্ত আর হয়নি! আরেকটু হলেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে ক্রিকেট বিশ্বে রীতিমতো ভূমিকম্প তুলে দিচ্ছিল নেপাল! কিন্তু শেষ পর্যন্ত হারতে হলো মাত্র ১ রানে। হ্যাঁ, বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো পরাক্রমশালী দলকে চোখ রাঙানি দিয়ে শেষ পর্যন্ত নেপালিজদেরই হৃদয় ভেঙেছে।

আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১১৫ রান তুলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তাড়া করতে নেমে নেপালের শেষ দুই ওভারে দরকার ছিল ১৬ রান। তখনই ম্যাচে ভর করে নাটকীয়তা। ১৯তম ওভারে কুশল মাল্লাকে হারিয়ে ৮ রান তুলতে পেরেছে নেপাল। জয়ের জন্য শেষ ওভারে দরকার ছিল ৮ রান। ওটনিল বার্টমানের করা শেষ ওভারের প্রথম ৫ বল থেকে একটি চারসহ ৬ রান নেন গুলশান ঝা। জয়ের জন্য শেষ বলে দরকার ছিল ২ রান। দুর্ভাগ্য, ঝা শেষ বলটি ব্যাটেই লাগাতে পারেননি। দৌড়ে রান নিয়ে ম্যাচটি টাই করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু নন স্ট্রাইকে অল্প দূরত্বের জন্য রান আউট হয়ে যান ঝা। মাত্র ১ রানের জয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার খেলোয়াড়দের শরীর থেকে যেন ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়েছে!

শেষ বলে বাউন্সার মেরেছিলেন বার্টমান। ঝা ব্যাটে লাগাতে না পারলেও অন্য প্রান্ত থেকে সোমপাল দৌড় দেন। ঝা-ও দৌড়ে নন স্ট্রাইক প্রান্তে গিয়ে ১ রান নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তার আগেই প্রোটিয়া উইকেটকিপার কুইন্টন ডি কক বলটা বোলারের প্রান্তে থ্রো করেন। দৌড়াতে থাকা ঝা-র গায়ে লেগে বল চলে যায় ক্রিজের পাশে থাকা হাইনরিখ ক্লাসেনের হাতে। যিনি বল ধরে কাছ থেকে স্টাম্প ভেঙে দিলে হৃদয় ভাঙে নেপালের। ৭ উইকেটে ১১৪ রানে থামে নেপালের ইনিংস।