ঢাকা ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :
কুষ্টিয়ায় পুুকুরে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু মরদেহ ফেরত পেতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবী পরিবারের চল্লিশ উর্ধ বয়সী স্কাউটারদের পায়ে হেঁটে ৫০ কিলোমিটার পরিভ্রমণে যাত্রা বেইলি রোডে আগুনে প্রাণ গেল ২ সাংবাদিকের কাচ্চি ভাই নয়, নিচের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত: র‌্যাব বেইলি রোডে আগুন: মৃতের সংখ্যা বাড়ার কারণ জানালেন চিকিৎসক ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রামের নির্মাণাধীন হিমাগারের আগুন বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক বেইলি রোডের আগুন লাগা বহুতল ভবনটিতে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না: প্রধানমন্ত্রী ভবনে ভেন্টিলেশন ছিল না, নিহতরা ধোঁয়ায় মারা গেছেন

কুষ্টিয়ায় “একাত্তরে আমি” গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান


মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, প্রমাণ্য দলিল ভিত্তিক বই “একাত্তরে আমি” গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বইটি লিখেছেন রোকেয়া পদকপ্রাপ্ত নারীনেত্রী ও বিশিষ্ট লেখক বেগম নূরজাহান।
শুক্রবার (০৭ মার্চ) সন্ধ্যায় রিসার্চ সেন্টার কুষ্টিয়ার আয়োজনে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষক লাউঞ্জে এ প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় কুষ্টিয়া সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শিশির কুমার রায়’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. আবুল আহসান চৌধুরী।
এসময় তিনি বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধ করতে পারেননি কিন্তু দেশের ভিতর অবদান রেখেছেন তাদেরই একজন বেগম নুরজাহান। খুব সাধারণ মানুষ নন, তিনি আলোকিত মানুষ। তিনি দেশের প্রয়োজনে ঝুঁকি নিয়েছেন এবং নিতে পারেন। একাত্তরে আমি গ্রন্থটি একটি সুখপাঠ্য ইতিহাস গ্রন্থ। মুক্তিযুদ্ধের বিশেষ করে কুষ্টিয়ার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের প্রামাণ্য দলিলের অংশ ও উপকরণ বেগম নুরজাহানের এই গ্রন্থ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কুষ্টিয়া জজকোর্টের জিপি বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. আসম আখতারুজ্জামান মাসুম বলেন, আমরা একাত্তর সালে বিভিন্ন গ্রামে বিভিন্ন মানুষের কাছে যে সহযোগিতা পেয়েছি তা ভুলবার নয়। সে ইতিহাস ওইভাবে লেখা হয়নি। এদেশের অভ্যন্তরে বাংলাদেশকে আগলে রেখেছেন কিভাবে সেটা জানতে হলে নারীনেত্রী বেগম নূরজাহানের ‘একাত্তরে আমি’ গ্রন্থ পড়তে হবে।


বীর মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ আরা বেগম রুমী বলেন, আমার বাবা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। আমি নিজে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। একাত্তর সালে আমার বাবা শহিদ হন স্বাধীনতা বিরোধীদের হাতে। একাত্তর সালে একটি নারীর জীবন ও অবরুদ্ধ একাত্তরকে জানতে হলে বেগম নূরজাহানের “একাত্তরে আমি” গ্রন্থ পড়তে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে শিশির কুমার রায় বলেন, আজকে যাদের এই মঞ্চে উপস্থিত করা হয়েছে তারা সবাই কিংবদন্তি জীবন্ত ইতিহাস। তাদেরকে সম্মানিত করতে পেরে আমি নিজেকে গর্বোবোধ মনে করছি। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিলো বলেই আজ আমি অধ্যক্ষ হতে পেরেছি। এই কলেজে ইতিহাস ঐতিহ্যের কলেজ, আপনাদের প্রতিষ্ঠান।
এসময় আরো বক্তব্য রাখেন রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. মোছা. ইসমত আরা খাতুন, কুষ্টিয়া সরকারি মহিলা কলেজের দর্শন বিভাগের প্রভাষক মো. আশরাফ আলী।
অনুষ্ঠানে গ্রন্থের উপর আলোচনা করেন লেখক গবেষক রিসার্চ সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী ইমাম মেহেদী।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক মো. কবিরুল ইসলাম। এসময় লেখিকার জীবনী পাঠ করেন কবি ও আবৃত্তিকার শাহিদা পারভীন রেখা।
শুরুতেই রিসার্চ সেন্টারের পক্ষ থেকে আলোকিত তিন নারী বেগম নূরজাহান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ আরা বেগম ও ড. মোছা. ইসমত আরা খাতুনকে ফুল ও উত্তরীয় দিয়ে সম্মান জানানো হয়।

দৌলতপুরে প্রান্তিক কৃষকের মাঝে প্রণোদনার বীজ ও সার বিতরন

কুষ্টিয়ায় “একাত্তরে আমি” গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

আপডেট সময় ১২:২৯:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মার্চ ২০২৪


মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, প্রমাণ্য দলিল ভিত্তিক বই “একাত্তরে আমি” গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বইটি লিখেছেন রোকেয়া পদকপ্রাপ্ত নারীনেত্রী ও বিশিষ্ট লেখক বেগম নূরজাহান।
শুক্রবার (০৭ মার্চ) সন্ধ্যায় রিসার্চ সেন্টার কুষ্টিয়ার আয়োজনে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষক লাউঞ্জে এ প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় কুষ্টিয়া সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শিশির কুমার রায়’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. আবুল আহসান চৌধুরী।
এসময় তিনি বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধ করতে পারেননি কিন্তু দেশের ভিতর অবদান রেখেছেন তাদেরই একজন বেগম নুরজাহান। খুব সাধারণ মানুষ নন, তিনি আলোকিত মানুষ। তিনি দেশের প্রয়োজনে ঝুঁকি নিয়েছেন এবং নিতে পারেন। একাত্তরে আমি গ্রন্থটি একটি সুখপাঠ্য ইতিহাস গ্রন্থ। মুক্তিযুদ্ধের বিশেষ করে কুষ্টিয়ার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের প্রামাণ্য দলিলের অংশ ও উপকরণ বেগম নুরজাহানের এই গ্রন্থ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কুষ্টিয়া জজকোর্টের জিপি বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. আসম আখতারুজ্জামান মাসুম বলেন, আমরা একাত্তর সালে বিভিন্ন গ্রামে বিভিন্ন মানুষের কাছে যে সহযোগিতা পেয়েছি তা ভুলবার নয়। সে ইতিহাস ওইভাবে লেখা হয়নি। এদেশের অভ্যন্তরে বাংলাদেশকে আগলে রেখেছেন কিভাবে সেটা জানতে হলে নারীনেত্রী বেগম নূরজাহানের ‘একাত্তরে আমি’ গ্রন্থ পড়তে হবে।


বীর মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ আরা বেগম রুমী বলেন, আমার বাবা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। আমি নিজে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। একাত্তর সালে আমার বাবা শহিদ হন স্বাধীনতা বিরোধীদের হাতে। একাত্তর সালে একটি নারীর জীবন ও অবরুদ্ধ একাত্তরকে জানতে হলে বেগম নূরজাহানের “একাত্তরে আমি” গ্রন্থ পড়তে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে শিশির কুমার রায় বলেন, আজকে যাদের এই মঞ্চে উপস্থিত করা হয়েছে তারা সবাই কিংবদন্তি জীবন্ত ইতিহাস। তাদেরকে সম্মানিত করতে পেরে আমি নিজেকে গর্বোবোধ মনে করছি। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিলো বলেই আজ আমি অধ্যক্ষ হতে পেরেছি। এই কলেজে ইতিহাস ঐতিহ্যের কলেজ, আপনাদের প্রতিষ্ঠান।
এসময় আরো বক্তব্য রাখেন রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. মোছা. ইসমত আরা খাতুন, কুষ্টিয়া সরকারি মহিলা কলেজের দর্শন বিভাগের প্রভাষক মো. আশরাফ আলী।
অনুষ্ঠানে গ্রন্থের উপর আলোচনা করেন লেখক গবেষক রিসার্চ সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী ইমাম মেহেদী।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক মো. কবিরুল ইসলাম। এসময় লেখিকার জীবনী পাঠ করেন কবি ও আবৃত্তিকার শাহিদা পারভীন রেখা।
শুরুতেই রিসার্চ সেন্টারের পক্ষ থেকে আলোকিত তিন নারী বেগম নূরজাহান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ আরা বেগম ও ড. মোছা. ইসমত আরা খাতুনকে ফুল ও উত্তরীয় দিয়ে সম্মান জানানো হয়।