ঢাকা ০২:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের পর যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চেয়ে পায়নি ইরান

  • ডিপি ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৭:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪
  • 6

ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সহায়তা চেয়েছিল তেহরান। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর গতকাল সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে তারা বিস্তারিত কিছু বলেনি।

তেহরানের সহায়তা চাওয়ার বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার সাংবাদিকদের বলেন, এ ব্যাপারে তিনি বিস্তারিত বলছেন না। তবে ইরান সরকার যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সহায়তা চেয়েছিল।

ম্যাথু মিলার আরও বলেন, তবে শেষ পর্যন্ত মূলত লজিস্টিক্যাল কারণে ইরানকে সেই সহায়তা করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। তা সত্ত্বেও দুই দেশের মধ্যে কীভাবে যোগাযোগ হলো, তা বলতে অস্বীকৃতি জানান মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র।

ম্যাথু মিলার শুধু বলেন, গত রোববার কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানকে বলা হয়, এ ধরনের পরিস্থিতিতে বিদেশি সরকারের অনুরোধে তারা সাড়া দেয়। তবে তারা মূলত লজিস্টিক্যাল কারণে ইরানের সাহায্যের অনুরোধে সাড়া দিতে পারেনি।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ইঙ্গিত দেন, রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর সেটিকে খুঁজে পেতে দ্রুত সাহায্য চাইছিল ইরান।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি গত রোববার দুপুরের দিকে ইরানের পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের পর্বতঘেরা ভারজাগান এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।

হেলিকপ্টারটিতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আবদোল্লাহিয়ানসহ সাতজন ছিলেন। ১৬ ঘণ্টার বেশি সময় উদ্ধার তৎপরতার পর গতকাল সোমবার সকালে হেলিকপ্টারটির ধ্বংসাবশেষের খোঁজ পাওয়া যায়। এরপর রাইসিসহ হেলিকপ্টারটির সব আরোহীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে ইরান সরকার।

হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের পর যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চেয়ে পায়নি ইরান

আপডেট সময় ১১:২৭:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সহায়তা চেয়েছিল তেহরান। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর গতকাল সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে তারা বিস্তারিত কিছু বলেনি।

তেহরানের সহায়তা চাওয়ার বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার সাংবাদিকদের বলেন, এ ব্যাপারে তিনি বিস্তারিত বলছেন না। তবে ইরান সরকার যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সহায়তা চেয়েছিল।

ম্যাথু মিলার আরও বলেন, তবে শেষ পর্যন্ত মূলত লজিস্টিক্যাল কারণে ইরানকে সেই সহায়তা করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। তা সত্ত্বেও দুই দেশের মধ্যে কীভাবে যোগাযোগ হলো, তা বলতে অস্বীকৃতি জানান মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র।

ম্যাথু মিলার শুধু বলেন, গত রোববার কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানকে বলা হয়, এ ধরনের পরিস্থিতিতে বিদেশি সরকারের অনুরোধে তারা সাড়া দেয়। তবে তারা মূলত লজিস্টিক্যাল কারণে ইরানের সাহায্যের অনুরোধে সাড়া দিতে পারেনি।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ইঙ্গিত দেন, রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর সেটিকে খুঁজে পেতে দ্রুত সাহায্য চাইছিল ইরান।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি গত রোববার দুপুরের দিকে ইরানের পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের পর্বতঘেরা ভারজাগান এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।

হেলিকপ্টারটিতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আবদোল্লাহিয়ানসহ সাতজন ছিলেন। ১৬ ঘণ্টার বেশি সময় উদ্ধার তৎপরতার পর গতকাল সোমবার সকালে হেলিকপ্টারটির ধ্বংসাবশেষের খোঁজ পাওয়া যায়। এরপর রাইসিসহ হেলিকপ্টারটির সব আরোহীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে ইরান সরকার।