ঢাকা ০২:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বান্দরবানে উৎপাদিত কাজুবাদামের চাহিদা বাড়ছে

  • ডিপি ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫৫:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ জুন ২০২৪
  • 9

বান্দরবানে উৎপাদিত কাজুবাদাম দিনদিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। পুষ্টিকর ও মানসম্মত হওয়ার পাশাপাশি উৎপাদিত স্থানে এ বাদাম প্যাকেট করা হয়। ফলে সারা দেশে এখানকার কাজুবাদামের চাহিদা বাড়ছে। এক সময় পার্বত্য জেলা বান্দরবানে কাজুবাদামের তেমন কোনো কদর না থাকলেও এখন পাহাড়ে অনেক জমিতে হচ্ছে কাজুবাদামের চাষ। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে চারা, বীজ ও সার বিতরণের পাশাপাশি চাষিদের প্রশিক্ষণ দেয়ায় অনায়াসে চাষ করা যাচ্ছে কাজুবাদাম। আর উৎপাদিত বাদাম কৃষকরা নিজ বাগান থেকেই বিক্রি করে লাভ করছেন প্রচুর মুনাফা।

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, বান্দরবানের ৭টি উপজেলা (সদর, রোয়াংছড়ি, রুমা, থানচি, লামা, আলীকদম, নাইক্ষ্যংছড়ি) বিভিন্নস্থানে প্রচুর কাজুবাদামের চাষ হয়। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কাজুর চাষ বাড়াতে কৃষকদের দেয়া হয় বিনামূল্যে সার, বীজ ও প্রশিক্ষণ।

কৃষি বিভাগ আরও জানায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে বান্দরবানে কাজুবাদাম চাষ করতেন ৪ হাজার ১৩২ জন। চারার সংখ্যা ছিল ১০ লাখ ৯৬ হাজার ৭৯৩টি আর উৎপাদন হয়েছিল ১ হাজার ৩০৮ মেট্রিক টন বাদাম। আর ২০২২-২৩ অর্থবছরে কাজুবাদামের চাষির সংখ্যা ৪ হাজার ৩১৬। চারার সংখ্যা ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৭৩৬টি আর উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪০৬ মেট্রিক টন।

এদিকে বিভিন্ন বাগান থেকে কাজুবাদাম সংগ্রহ করে বান্দরবানেই প্রক্রিয়াজাত হয়ে সারা দেশের মানুষের কাছে চলে যাচ্ছে। ফলে স্থানীয় চাষিদের যেমন বাজার নিশ্চিত হচ্ছে, তেমনি ভোক্তারা কম দামে দেশি কাজুবাদাম হাতের নাগালে পাচ্ছেন। সেই সঙ্গে আমদানি নির্ভরতা কমে যাওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হচ্ছে অনেকটাই।

কাজুবাদাম দ্রুত এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্যাকেটজাত করতে বান্দরবান জেলা শহরের পশ্চিম বালাঘাটা এলাকায় একটি কাজুবাদাম প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা গড়ে তুলেছেন দুই তরুণ উদ্যোক্তা। কিষাণঘর এগ্রো নামে এ কাজুবাদাম প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্যাকেটজাতকরণে  কারখানাটি চালু হয় ২০১৯ সালে। শুরুতে হাতে গোনা দুই-চার শ্রমিক কাজ করলেও এখন কারখানার আকার বেড়েছে আর শ্রমিকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬০ জনে।

কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, ২০ থেকে ২৫ শ্রমিক কাজ করছেন। কাঁচা কাজুবাদাম বাছাই, সেদ্ধ, ভেঙে খোসা ছাড়ানোসহ সব প্রক্রিয়ায় যারা অংশ নেন, তাদের অধিকাংশই নারী। তারা কেউ দৈনিক পারিশ্রমিকে ও কেউ মাসিক বেতনে কাজ করছেন।

বান্দরবানে উৎপাদিত কাজুবাদামের চাহিদা বাড়ছে

আপডেট সময় ১১:৫৫:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ জুন ২০২৪

বান্দরবানে উৎপাদিত কাজুবাদাম দিনদিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। পুষ্টিকর ও মানসম্মত হওয়ার পাশাপাশি উৎপাদিত স্থানে এ বাদাম প্যাকেট করা হয়। ফলে সারা দেশে এখানকার কাজুবাদামের চাহিদা বাড়ছে। এক সময় পার্বত্য জেলা বান্দরবানে কাজুবাদামের তেমন কোনো কদর না থাকলেও এখন পাহাড়ে অনেক জমিতে হচ্ছে কাজুবাদামের চাষ। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে চারা, বীজ ও সার বিতরণের পাশাপাশি চাষিদের প্রশিক্ষণ দেয়ায় অনায়াসে চাষ করা যাচ্ছে কাজুবাদাম। আর উৎপাদিত বাদাম কৃষকরা নিজ বাগান থেকেই বিক্রি করে লাভ করছেন প্রচুর মুনাফা।

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, বান্দরবানের ৭টি উপজেলা (সদর, রোয়াংছড়ি, রুমা, থানচি, লামা, আলীকদম, নাইক্ষ্যংছড়ি) বিভিন্নস্থানে প্রচুর কাজুবাদামের চাষ হয়। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কাজুর চাষ বাড়াতে কৃষকদের দেয়া হয় বিনামূল্যে সার, বীজ ও প্রশিক্ষণ।

কৃষি বিভাগ আরও জানায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে বান্দরবানে কাজুবাদাম চাষ করতেন ৪ হাজার ১৩২ জন। চারার সংখ্যা ছিল ১০ লাখ ৯৬ হাজার ৭৯৩টি আর উৎপাদন হয়েছিল ১ হাজার ৩০৮ মেট্রিক টন বাদাম। আর ২০২২-২৩ অর্থবছরে কাজুবাদামের চাষির সংখ্যা ৪ হাজার ৩১৬। চারার সংখ্যা ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৭৩৬টি আর উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪০৬ মেট্রিক টন।

এদিকে বিভিন্ন বাগান থেকে কাজুবাদাম সংগ্রহ করে বান্দরবানেই প্রক্রিয়াজাত হয়ে সারা দেশের মানুষের কাছে চলে যাচ্ছে। ফলে স্থানীয় চাষিদের যেমন বাজার নিশ্চিত হচ্ছে, তেমনি ভোক্তারা কম দামে দেশি কাজুবাদাম হাতের নাগালে পাচ্ছেন। সেই সঙ্গে আমদানি নির্ভরতা কমে যাওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হচ্ছে অনেকটাই।

কাজুবাদাম দ্রুত এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্যাকেটজাত করতে বান্দরবান জেলা শহরের পশ্চিম বালাঘাটা এলাকায় একটি কাজুবাদাম প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা গড়ে তুলেছেন দুই তরুণ উদ্যোক্তা। কিষাণঘর এগ্রো নামে এ কাজুবাদাম প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্যাকেটজাতকরণে  কারখানাটি চালু হয় ২০১৯ সালে। শুরুতে হাতে গোনা দুই-চার শ্রমিক কাজ করলেও এখন কারখানার আকার বেড়েছে আর শ্রমিকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬০ জনে।

কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, ২০ থেকে ২৫ শ্রমিক কাজ করছেন। কাঁচা কাজুবাদাম বাছাই, সেদ্ধ, ভেঙে খোসা ছাড়ানোসহ সব প্রক্রিয়ায় যারা অংশ নেন, তাদের অধিকাংশই নারী। তারা কেউ দৈনিক পারিশ্রমিকে ও কেউ মাসিক বেতনে কাজ করছেন।