ঢাকা ০৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা: প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় বিক্ষোভ অব্যাহত

  • ডিপি ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২৩:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মে ২০২৪
  • 8

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্যাম্পাসে গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ বাড়ছে। গত মঙ্গলবার রাতে নিউইয়র্কে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক ধরপাকড় ও ক্যালিফোর্নিয়ায় বিক্ষোভ প্রতিহতকারী ইসরায়েল–সমর্থকদের হামলার পরও আন্দোলনে ভাটা পড়ার কোনো লক্ষণ নেই।

নিউইয়র্কের পুলিশ বিভাগ বলেছে, মঙ্গলবার রাত থেকে গতকাল বুধবার ভোর পর্যন্ত কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও সিটি কলেজ অব নিউইয়র্কের ক্যাম্পাস থেকে তারা ২৮২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ধরপাকড়ের বড় ঘটনাটি ঘটে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের হ্যামিলটন হল দখল করে থাকা বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের পুলিশ উচ্ছেদ করতে গেলে। ফিলিস্তিনপন্থী এ বিক্ষোভকারীরা গত ৩০ এপ্রিল থেকে হলটি দখল করে ছিলেন।

ভবনটিকে ‘ম্যান্ডেলা হল’ নামেও আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাধীনতার সমর্থনে ১৯৮৫ সালে হলটিতে একই রকমের পদক্ষেপ নিয়েছিলেন শিক্ষার্থীরা। বর্তমানে বিক্ষোভকারীরা হলটির নাম দিয়েছেন ‘হিন্দ’স হল’। ইসরায়েলের হামলায় সপরিবার নিহত ফিলিস্তিনের ৬ বছরের শিশু হিন্দ রাজাবের নামে এ নামকরণ করা হয়েছে।
কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাংবাদিক মেঘনাদ বোস আল–জাজিরাকে বলেন, এ ক্যাম্পাস থেকে পুলিশ যখন শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তার করে, তখন সেখানে ছিলেন তিনি। এর আগে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের প্রবেশপথে সারি বেঁধে দাঁড়িয়ে ছিলেন, যাতে পুলিশ ভেতরে ঢুকতে না পারে।

এক্সে এক পোস্টে নিউইয়র্ক পুলিশের উপকমিশনার (অপারেশন) কেজ ডট্রি বলেন, ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনুরোধ জানিয়েছিল তাঁদের। পরে পুলিশ ক্যাম্পাসে অবৈধ অস্থায়ী তাঁবুর শিবিরগুলো অপসারণ করে, বিভিন্ন ভবন দখল করে থাকা বিক্ষোভকারীদের হটিয়ে দেয় এবং শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনে।
একই দিন রাতে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া লস অ্যাঞ্জেলেসে (ইউসিএলএ) ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের শিবির গুঁড়িয়ে দেন ইসরায়েলের সমর্থকেরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, এ সময় আন্দোলনকারীদের ওপর বিভিন্ন বস্তু ছুড়ে মারেন তাঁরা।
ইউসিএলএ ক্যাম্পাস থেকে অনুসন্ধানী সাংবাদিক সের্গিও ওলমস আল–জাজিরাকে বলেন, বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলায় তিনি কয়েক শ ইসরায়েল-সমর্থককে অংশ নিতে দেখেছেন। বিক্ষোভকারীদের লাঠিসোঁটা দিয়ে পেটান ও কয়েকটি ঘটনায় কাচের বোতল ছুড়ে মারেন তাঁরা।

ডিপজলের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই চলচ্চিত্র সমিতিতে

গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা: প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় বিক্ষোভ অব্যাহত

আপডেট সময় ১২:২৩:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মে ২০২৪

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্যাম্পাসে গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ বাড়ছে। গত মঙ্গলবার রাতে নিউইয়র্কে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক ধরপাকড় ও ক্যালিফোর্নিয়ায় বিক্ষোভ প্রতিহতকারী ইসরায়েল–সমর্থকদের হামলার পরও আন্দোলনে ভাটা পড়ার কোনো লক্ষণ নেই।

নিউইয়র্কের পুলিশ বিভাগ বলেছে, মঙ্গলবার রাত থেকে গতকাল বুধবার ভোর পর্যন্ত কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও সিটি কলেজ অব নিউইয়র্কের ক্যাম্পাস থেকে তারা ২৮২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ধরপাকড়ের বড় ঘটনাটি ঘটে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের হ্যামিলটন হল দখল করে থাকা বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের পুলিশ উচ্ছেদ করতে গেলে। ফিলিস্তিনপন্থী এ বিক্ষোভকারীরা গত ৩০ এপ্রিল থেকে হলটি দখল করে ছিলেন।

ভবনটিকে ‘ম্যান্ডেলা হল’ নামেও আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাধীনতার সমর্থনে ১৯৮৫ সালে হলটিতে একই রকমের পদক্ষেপ নিয়েছিলেন শিক্ষার্থীরা। বর্তমানে বিক্ষোভকারীরা হলটির নাম দিয়েছেন ‘হিন্দ’স হল’। ইসরায়েলের হামলায় সপরিবার নিহত ফিলিস্তিনের ৬ বছরের শিশু হিন্দ রাজাবের নামে এ নামকরণ করা হয়েছে।
কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাংবাদিক মেঘনাদ বোস আল–জাজিরাকে বলেন, এ ক্যাম্পাস থেকে পুলিশ যখন শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তার করে, তখন সেখানে ছিলেন তিনি। এর আগে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের প্রবেশপথে সারি বেঁধে দাঁড়িয়ে ছিলেন, যাতে পুলিশ ভেতরে ঢুকতে না পারে।

এক্সে এক পোস্টে নিউইয়র্ক পুলিশের উপকমিশনার (অপারেশন) কেজ ডট্রি বলেন, ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনুরোধ জানিয়েছিল তাঁদের। পরে পুলিশ ক্যাম্পাসে অবৈধ অস্থায়ী তাঁবুর শিবিরগুলো অপসারণ করে, বিভিন্ন ভবন দখল করে থাকা বিক্ষোভকারীদের হটিয়ে দেয় এবং শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনে।
একই দিন রাতে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া লস অ্যাঞ্জেলেসে (ইউসিএলএ) ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের শিবির গুঁড়িয়ে দেন ইসরায়েলের সমর্থকেরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, এ সময় আন্দোলনকারীদের ওপর বিভিন্ন বস্তু ছুড়ে মারেন তাঁরা।
ইউসিএলএ ক্যাম্পাস থেকে অনুসন্ধানী সাংবাদিক সের্গিও ওলমস আল–জাজিরাকে বলেন, বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলায় তিনি কয়েক শ ইসরায়েল-সমর্থককে অংশ নিতে দেখেছেন। বিক্ষোভকারীদের লাঠিসোঁটা দিয়ে পেটান ও কয়েকটি ঘটনায় কাচের বোতল ছুড়ে মারেন তাঁরা।