ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কোটা পুনর্বহালের আদেশ বাতিলে বিক্ষোভে উত্তাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় 

সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা ব্যবস্থা পুনর্বহাল করা নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের ইস্যুতে তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে হাইকোর্টের আদেশ বাতিল করতে হবে অন্যথায় সারা বাংলাদেশে প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। 

রোববার (৯ জুন) সকাল ১১টায় টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি সামনে এই বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়। যা পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন, শ্যাডো, টিএসসি হয়ে রাজু ভাস্কর্যে বক্তব্যের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।

মিছিলে শিক্ষার্থীরা- ‘চাকরিতে কোটা, মানি না মানবো না’, ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলায়/ স্বাধীনতার বাংলায়, কোটার ঠাই নাই’, ‘হাইকোর্টের রায়, মানি না মানবো না’,  ‘সংবিধানের মূলকথা সুযোগের সমতা, মুক্তিযুদ্ধের মূলকথা সুযোগের সমতা’, ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘সারা বাংলা খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে’, ‘একাত্তরের বাংলায়, বৈষম্যের ঠাই নাই’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখরিত ছিল ক্যাম্পাস। 

শিক্ষার্থীরা জানায়, আমরা সংবিধানের বাইরে যেতে পারি না। সংবিধান চাকরিতে সুযোগের সমতার নিশ্চিত করেছে। দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি আপনারা প্রকৃত মেধাবীদের হাতে দেশকে তুলে দিন তারাই দেশের উন্নতির পথ খুঁজে নিবে। ২০১৮ তে আমাদের ছাত্র ভাইয়েরা বুকের রক্ত দিয়ে কোটা প্রথা নামক অভিশাপ থেকে মুক্ত করেছিল। সুযোগের সমতা নিশ্চিত না করলে ছাত্ররা রাজপথের মাটিকে আকড়ে ধরবো। 

ঢাবি শিক্ষার্থী তামান্না আক্তার বলেন, আমি নারী হয়ে বলছি আমি নারী কোটা চাই না। আমরা একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ নির্মাণ করতে চাই। মেধাবীরা যোগ্যতার বলে চাকরি পাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে উপেক্ষা করে যে রায় দিয়েছে তা আমরা ঘৃণা ভরে প্রত্যাখান করলাম।

কোটা পুনর্বহালের আদেশ বাতিলে বিক্ষোভে উত্তাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় 

আপডেট সময় ১২:৪৭:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুন ২০২৪

সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা ব্যবস্থা পুনর্বহাল করা নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের ইস্যুতে তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে হাইকোর্টের আদেশ বাতিল করতে হবে অন্যথায় সারা বাংলাদেশে প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। 

রোববার (৯ জুন) সকাল ১১টায় টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি সামনে এই বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়। যা পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন, শ্যাডো, টিএসসি হয়ে রাজু ভাস্কর্যে বক্তব্যের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।

মিছিলে শিক্ষার্থীরা- ‘চাকরিতে কোটা, মানি না মানবো না’, ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলায়/ স্বাধীনতার বাংলায়, কোটার ঠাই নাই’, ‘হাইকোর্টের রায়, মানি না মানবো না’,  ‘সংবিধানের মূলকথা সুযোগের সমতা, মুক্তিযুদ্ধের মূলকথা সুযোগের সমতা’, ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘সারা বাংলা খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে’, ‘একাত্তরের বাংলায়, বৈষম্যের ঠাই নাই’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখরিত ছিল ক্যাম্পাস। 

শিক্ষার্থীরা জানায়, আমরা সংবিধানের বাইরে যেতে পারি না। সংবিধান চাকরিতে সুযোগের সমতার নিশ্চিত করেছে। দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি আপনারা প্রকৃত মেধাবীদের হাতে দেশকে তুলে দিন তারাই দেশের উন্নতির পথ খুঁজে নিবে। ২০১৮ তে আমাদের ছাত্র ভাইয়েরা বুকের রক্ত দিয়ে কোটা প্রথা নামক অভিশাপ থেকে মুক্ত করেছিল। সুযোগের সমতা নিশ্চিত না করলে ছাত্ররা রাজপথের মাটিকে আকড়ে ধরবো। 

ঢাবি শিক্ষার্থী তামান্না আক্তার বলেন, আমি নারী হয়ে বলছি আমি নারী কোটা চাই না। আমরা একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ নির্মাণ করতে চাই। মেধাবীরা যোগ্যতার বলে চাকরি পাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে উপেক্ষা করে যে রায় দিয়েছে তা আমরা ঘৃণা ভরে প্রত্যাখান করলাম।