ঢাকা ০৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :
তিন জেলায় নতুন এসপি নিয়োগ, পুলিশে বড় রদবদল ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নির্দেশ বর্তমান সরকারের অধীনে তথ্য বিভ্রান্তির সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে সমন্বিত পরিকল্পনা নিতে হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৭১ সালে পাকিস্তানীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ছিলেন শেখ হাসিনা: রিজভী ত্রয়োদশ সংসদের তৃতীয় অধিবেশন বসছে ২৭ আগস্ট সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দরপত্রে আমেরিকান কোম্পানিকে আমন্ত্রণ জানাব শিশু আছিয়া হত্যা: হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শুরু

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের তারিখ ঘোষণা

নানান আলোচনা-সমালোচনা শেষে অবশেষে উন্মোচন হতে যাচ্ছে গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। ৫ আগস্ট সকাল ৯টায় জুলাই জাদুঘর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১ আগস্ট) গণমাধ্যমকে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব দীপংকর বিশ্বাস এ তথ্য জানান।

এর আগে জাদুকর উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সময় চেয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ৫ আগস্ট উদ্বোধনের জন্য সময় দিয়েছেন।

বাকস্বাধীনতা হরণ ও লাগামহীন নির্যাতনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচারের পতন হয়। সেদিন গণভবনের প্রতিটি অংশে ছড়িয়ে পড়ে জনতার ক্ষোভ, আর স্বৈরশাসকের বাসভবন চলে যায় ছাত্র-জনতার দখলে।

এরপর বহু মানুষের চোখের পানির সাক্ষী সেই গণভবনকে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ৫ আগস্টের নানা স্মৃতিচিহ্ন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুর্লভ দলিল, শহীদ ও আহতদের ব্যবহৃত পোশাক, বিভিন্ন স্মারক, আন্দোলনের ব্যানার, প্ল্যাকার্ডসহ নানা উপকরণ সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। পাশাপাশি গত ১৭ বছরে স্বৈরাচারী শাসনের বিভিন্ন নিদর্শনও এই জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

তবে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও এটি চালু করতে পারেনি অন্তর্বর্তী সরকার। একইসঙ্গে নির্মাণ ঘিরে নানামুখী দুর্নীতির অভিযোগ উঠতে থাকে। ফলে জাদুঘরের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয় জনমনে।

অবশেষে সেই অনিশ্চয়তার অবসান হয়েছে। বর্তমান সরকার ঘোষণা দিয়েছে, আগামী ৫ আগস্ট জাদুঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেয়া হবে। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত চেতনা মানুষের সামনে তুলে ধরতেই জাদুঘরটি সাজানো হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত চেতনা ধারণ করেই জাদুঘরটি নির্মাণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনের পর এটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।

জাদুঘরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আলোকচিত্র, ভিডিও, দলিল-দস্তাবেজ, শহীদদের স্মৃতিচিহ্ন এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী, গবেষক ও ইতিহাস-আগ্রহীদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি, গাইডেড ট্যুর এবং অনলাইনে টিকিট সংগ্রহের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার খলনায়ক ডনের জামিন মেলেনি

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের তারিখ ঘোষণা

আপডেট সময় ০৪:২৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

নানান আলোচনা-সমালোচনা শেষে অবশেষে উন্মোচন হতে যাচ্ছে গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। ৫ আগস্ট সকাল ৯টায় জুলাই জাদুঘর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১ আগস্ট) গণমাধ্যমকে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব দীপংকর বিশ্বাস এ তথ্য জানান।

এর আগে জাদুকর উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সময় চেয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ৫ আগস্ট উদ্বোধনের জন্য সময় দিয়েছেন।

বাকস্বাধীনতা হরণ ও লাগামহীন নির্যাতনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচারের পতন হয়। সেদিন গণভবনের প্রতিটি অংশে ছড়িয়ে পড়ে জনতার ক্ষোভ, আর স্বৈরশাসকের বাসভবন চলে যায় ছাত্র-জনতার দখলে।

এরপর বহু মানুষের চোখের পানির সাক্ষী সেই গণভবনকে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ৫ আগস্টের নানা স্মৃতিচিহ্ন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুর্লভ দলিল, শহীদ ও আহতদের ব্যবহৃত পোশাক, বিভিন্ন স্মারক, আন্দোলনের ব্যানার, প্ল্যাকার্ডসহ নানা উপকরণ সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। পাশাপাশি গত ১৭ বছরে স্বৈরাচারী শাসনের বিভিন্ন নিদর্শনও এই জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

তবে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও এটি চালু করতে পারেনি অন্তর্বর্তী সরকার। একইসঙ্গে নির্মাণ ঘিরে নানামুখী দুর্নীতির অভিযোগ উঠতে থাকে। ফলে জাদুঘরের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয় জনমনে।

অবশেষে সেই অনিশ্চয়তার অবসান হয়েছে। বর্তমান সরকার ঘোষণা দিয়েছে, আগামী ৫ আগস্ট জাদুঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেয়া হবে। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত চেতনা মানুষের সামনে তুলে ধরতেই জাদুঘরটি সাজানো হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত চেতনা ধারণ করেই জাদুঘরটি নির্মাণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনের পর এটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।

জাদুঘরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আলোকচিত্র, ভিডিও, দলিল-দস্তাবেজ, শহীদদের স্মৃতিচিহ্ন এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী, গবেষক ও ইতিহাস-আগ্রহীদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি, গাইডেড ট্যুর এবং অনলাইনে টিকিট সংগ্রহের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।