ঢাকা ১২:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ইশতেহারে যা আছে

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইশতেহার ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের বলরুমে আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ইশতেহার-২০২৪ ঘোষণা করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

সুনির্দিষ্ট লক্ষমাত্রা নিয়ে বাস্তবায়নযোগ্য ইশতেহার প্রণয়ন করা হয়েছে বলে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনি ইশতেহার আমরা সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছি। ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য কিছু বিষয় এবারের ইশতেহারেও রাখা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ। আওয়ামী লীগ নির্বাচিত হলে ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় নীতি প্রণয়ন করা হবে।

>> আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ইশতেহারে যা আছে

‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ শিরোনামে ইশতেহার ঘোষণা করছে আওয়ামী লীগ। স্মার্ট বাংলাদেশ শিরোনামে এবারের ইশতেহারের প্রতিপাদ্য ‘উন্নয়ন দৃশ্যমান, বাড়বে এবার কর্মসংস্থান’।

আওয়ামী লীগের ইশতেহারে যে ১১টি বিষয়ে বিশেষ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে-

১. দ্রব্যমূল্য সবার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।

২. কর্মোপযোগী শিক্ষা ও যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।

৩. আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

৪. লাভজনক কৃষির লক্ষ্যে সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থা, যান্ত্রিকীকরণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে বিনিয়োগ বৃদ্ধি।

৫. দৃশ্যমান অবকাঠামোর সুবিধা নিয়ে এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে শিল্পের প্রসার ঘটানো।

৬. ব্যাংকসহ আর্থিক খাতে দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

৭. নিম্ন আয়ের মানুষদের স্বাস্থ্যসেবা সুলভ করা।

৮. সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় সবাইকে যুক্ত করা।

৯. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকারিতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

১০. সাম্প্রদায়িকতা এবং সব ধরনের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ রোধ করা।

১১. সর্বস্তরে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সুরক্ষা ও চর্চার প্রসার ঘটানো।

জানা যায়, ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারের স্লোগান ছিল ‘দিনবদলের সনদ’। সেই ইশতেহারে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার প্রতিশ্রুতি দেয় আওয়ামী লীগ। এরপর ২০১৪ সালে ‘এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’ শিরোনামে ১০টি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। সর্বশেষ ২০১৮ সালে ‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’ শিরোনামে ‘২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’ এবং ‘২১০০ সালের মধ্যে নিরাপদ বদ্বীপ’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা দেয়া হয়।

শাটডাউন কর্মসূচিতে বিএনপির সমর্থন

আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ইশতেহারে যা আছে

আপডেট সময় ০৪:৫৫:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইশতেহার ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের বলরুমে আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ইশতেহার-২০২৪ ঘোষণা করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

সুনির্দিষ্ট লক্ষমাত্রা নিয়ে বাস্তবায়নযোগ্য ইশতেহার প্রণয়ন করা হয়েছে বলে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনি ইশতেহার আমরা সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছি। ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য কিছু বিষয় এবারের ইশতেহারেও রাখা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ। আওয়ামী লীগ নির্বাচিত হলে ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় নীতি প্রণয়ন করা হবে।

>> আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ইশতেহারে যা আছে

‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ শিরোনামে ইশতেহার ঘোষণা করছে আওয়ামী লীগ। স্মার্ট বাংলাদেশ শিরোনামে এবারের ইশতেহারের প্রতিপাদ্য ‘উন্নয়ন দৃশ্যমান, বাড়বে এবার কর্মসংস্থান’।

আওয়ামী লীগের ইশতেহারে যে ১১টি বিষয়ে বিশেষ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে-

১. দ্রব্যমূল্য সবার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।

২. কর্মোপযোগী শিক্ষা ও যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।

৩. আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

৪. লাভজনক কৃষির লক্ষ্যে সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থা, যান্ত্রিকীকরণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে বিনিয়োগ বৃদ্ধি।

৫. দৃশ্যমান অবকাঠামোর সুবিধা নিয়ে এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে শিল্পের প্রসার ঘটানো।

৬. ব্যাংকসহ আর্থিক খাতে দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

৭. নিম্ন আয়ের মানুষদের স্বাস্থ্যসেবা সুলভ করা।

৮. সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় সবাইকে যুক্ত করা।

৯. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকারিতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

১০. সাম্প্রদায়িকতা এবং সব ধরনের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ রোধ করা।

১১. সর্বস্তরে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সুরক্ষা ও চর্চার প্রসার ঘটানো।

জানা যায়, ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারের স্লোগান ছিল ‘দিনবদলের সনদ’। সেই ইশতেহারে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার প্রতিশ্রুতি দেয় আওয়ামী লীগ। এরপর ২০১৪ সালে ‘এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’ শিরোনামে ১০টি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। সর্বশেষ ২০১৮ সালে ‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’ শিরোনামে ‘২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’ এবং ‘২১০০ সালের মধ্যে নিরাপদ বদ্বীপ’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা দেয়া হয়।