ঢাকা ০৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :
তিন জেলায় নতুন এসপি নিয়োগ, পুলিশে বড় রদবদল ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নির্দেশ বর্তমান সরকারের অধীনে তথ্য বিভ্রান্তির সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে সমন্বিত পরিকল্পনা নিতে হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৭১ সালে পাকিস্তানীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ছিলেন শেখ হাসিনা: রিজভী ত্রয়োদশ সংসদের তৃতীয় অধিবেশন বসছে ২৭ আগস্ট সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দরপত্রে আমেরিকান কোম্পানিকে আমন্ত্রণ জানাব শিশু আছিয়া হত্যা: হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শুরু

‘অডিট রিপোর্ট না দেওয়া দলগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে ইসি’

ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অডিট রিপোর্ট জমা না দেওয়া নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।

সোমবার (৩ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

৫৮টি সক্রিয় নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৩৮টি দল অডিট রিপোর্ট জমা দিলেও ১৩টি দল সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছে। এছাড়া আটটি দল এ বিষয়ে কোনো সাড়া দেয়নি। সাড়া না দেওয়া দলগুলোকে আইন অনুযায়ী নোটিশ দেওয়ার কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

ইসি সচিব বলেন, ‘৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল। যেহেতু ওইদিন শুক্রবার ছিল, তাই ২ আগস্ট পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছিল। ৫৯টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে একটি স্থগিত আছে। বাকি ৫৮টি দলের মধ্যে ৩৮টি দল তাদের অডিট রিপোর্ট জমা দিয়েছে। ১৩টি দল সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছে এবং ৮টি দল কোনো সাড়া দেয়নি। যারা সাড়া দেয়নি, তাদের আইন অনুযায়ী নোটিশ দেওয়া হবে।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও আইন সংশোধন নিয়ে আখতার আহমেদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন সংশোধনের কিছু প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞা স্পষ্ট করা, দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং ঋণখেলাপি সংক্রান্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই সুপারিশগুলো স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে।

নির্বাচনের প্রস্তুতি ও সময়সীমা নিয়ে ইসি সচিব বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতির তিনটি মূল ধাপ রয়েছে: আইন ও বিধিমালা, সরঞ্জামাদি এবং প্রশিক্ষণ। নির্বাচন কমিশন তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তফসিল ঘোষণা থেকে নির্বাচনের তারিখের মধ্যে সাধারণত ৪৫ দিনের ব্যবধান থাকে। এছাড়া ভোটার তালিকা চূড়ান্ত ও প্রিন্ট করতে আরও প্রায় দেড় মাস সময় লাগে। সব মিলিয়ে একটি নির্বাচনের জন্য প্রায় ৩ মাসের একটি ব্যাকওয়ার্ড ক্যালকুলেশন বা প্রস্তুতি সময় প্রয়োজন হয়।

ভোটার তালিকার বিষয়ে আখতার আহমেদ বলেন, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে যাদের বয়স ১৮ হবে তাদের নিয়ে তালিকা করা হচ্ছে। নির্বাচনের সময় পিছিয়ে সম্পূরক ভোটার তালিকা করা যেতে পারে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সংলাপের বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের বিষয়ে জানানো হয়েছে যে, ইতোমধ্যে বিভিন্ন বিধিমালা নিয়ে তাদের মতামত নেওয়া হয়েছে। বাড়তি কোনো সংলাপের বিষয়ে আপাতত কোনো সিদ্ধান্ত নেই।

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার খলনায়ক ডনের জামিন মেলেনি

‘অডিট রিপোর্ট না দেওয়া দলগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে ইসি’

আপডেট সময় ০৪:১৪:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অডিট রিপোর্ট জমা না দেওয়া নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।

সোমবার (৩ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

৫৮টি সক্রিয় নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৩৮টি দল অডিট রিপোর্ট জমা দিলেও ১৩টি দল সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছে। এছাড়া আটটি দল এ বিষয়ে কোনো সাড়া দেয়নি। সাড়া না দেওয়া দলগুলোকে আইন অনুযায়ী নোটিশ দেওয়ার কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

ইসি সচিব বলেন, ‘৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল। যেহেতু ওইদিন শুক্রবার ছিল, তাই ২ আগস্ট পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছিল। ৫৯টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে একটি স্থগিত আছে। বাকি ৫৮টি দলের মধ্যে ৩৮টি দল তাদের অডিট রিপোর্ট জমা দিয়েছে। ১৩টি দল সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছে এবং ৮টি দল কোনো সাড়া দেয়নি। যারা সাড়া দেয়নি, তাদের আইন অনুযায়ী নোটিশ দেওয়া হবে।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও আইন সংশোধন নিয়ে আখতার আহমেদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন সংশোধনের কিছু প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞা স্পষ্ট করা, দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং ঋণখেলাপি সংক্রান্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই সুপারিশগুলো স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে।

নির্বাচনের প্রস্তুতি ও সময়সীমা নিয়ে ইসি সচিব বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতির তিনটি মূল ধাপ রয়েছে: আইন ও বিধিমালা, সরঞ্জামাদি এবং প্রশিক্ষণ। নির্বাচন কমিশন তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তফসিল ঘোষণা থেকে নির্বাচনের তারিখের মধ্যে সাধারণত ৪৫ দিনের ব্যবধান থাকে। এছাড়া ভোটার তালিকা চূড়ান্ত ও প্রিন্ট করতে আরও প্রায় দেড় মাস সময় লাগে। সব মিলিয়ে একটি নির্বাচনের জন্য প্রায় ৩ মাসের একটি ব্যাকওয়ার্ড ক্যালকুলেশন বা প্রস্তুতি সময় প্রয়োজন হয়।

ভোটার তালিকার বিষয়ে আখতার আহমেদ বলেন, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে যাদের বয়স ১৮ হবে তাদের নিয়ে তালিকা করা হচ্ছে। নির্বাচনের সময় পিছিয়ে সম্পূরক ভোটার তালিকা করা যেতে পারে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সংলাপের বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের বিষয়ে জানানো হয়েছে যে, ইতোমধ্যে বিভিন্ন বিধিমালা নিয়ে তাদের মতামত নেওয়া হয়েছে। বাড়তি কোনো সংলাপের বিষয়ে আপাতত কোনো সিদ্ধান্ত নেই।