ঢাকা ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
টপ নিউজ :
কুষ্টিয়ায় পুুকুরে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু মরদেহ ফেরত পেতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবী পরিবারের চল্লিশ উর্ধ বয়সী স্কাউটারদের পায়ে হেঁটে ৫০ কিলোমিটার পরিভ্রমণে যাত্রা বেইলি রোডে আগুনে প্রাণ গেল ২ সাংবাদিকের কাচ্চি ভাই নয়, নিচের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত: র‌্যাব বেইলি রোডে আগুন: মৃতের সংখ্যা বাড়ার কারণ জানালেন চিকিৎসক ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রামের নির্মাণাধীন হিমাগারের আগুন বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক বেইলি রোডের আগুন লাগা বহুতল ভবনটিতে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না: প্রধানমন্ত্রী ভবনে ভেন্টিলেশন ছিল না, নিহতরা ধোঁয়ায় মারা গেছেন

আল বিদিয়া মাটির মসজিদ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৩৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩
  • 58

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজিরা আল বিদিয়া নামক স্থানে রয়েছে প্রায় ৬০০ বছরের পুরোনো প্রাচীন একটি মসজিদ। মসজিদটি ‘আল বিদিয়া মসজিদ’ নামে পরিচিত। মসজিদের নামকরণে এ স্থানের নামকরণ করা হয়েছে ‘আল বিদিয়া’ নামে। ফুজিরাহ শহর থেকে ৫০ কিলোমিটার উত্তরে মসজিদটি অবস্থিত। প্রবাসীদের কাছে ‘আল বিদিয়া মাটির মসজিদ’ হিসাবে ব্যাপক পরিচিত রয়েছে মসজিদটির। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, মসজিদটি প্রায় ৬০০ বছরের পুরোনো। ৫৩ বর্গমিটার (৫৭০ বর্গফুট) আয়তনজুড়ে নির্মিত হয় প্রাচীন এ মসজিদ। আরব উপসাগরের তীরে নৌপথে যোগাযোগের মাধ্যম থাকায় অনেকের মতে, ইসলাম প্রচারের জন্য এ অঞ্চলে আগত কয়েকজন সাহাবা হাজার বছর আগে পাহাড় কেটে এ মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। সাগরের তীর কাছে থাকায় ও এ এলাকায় মানুষের জনবসতি থাকায় এ স্থানটি তারা (সাহাবারা) ইসলাম প্রচারের মাধ্যম হিসাবে মসজিদটি নির্মাণ করেছেন।

জানা যায়, ফুজাইরাহ প্রত্নতত্ত্ব ও ঐতিহ্য বিভাগ এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিল যে, মসজিদটি ১৪৪৬ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। ১৯৯৭-৯৮ সালে মসজিদটির নির্মাণকাল নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় ফুজিরাহ প্রত্নতাত্ত্বিক কেন্দ্র দ্বারা অনুসন্ধান করা হয়। সরেজমিন মসজিদে গিয়ে দেখা যায়, ঐতিহাসিক এ মসজিদটির পুরোটাই মাটি ও পাথরের তৈরি। একটিমাত্র পিলারের ওপর ভর করে আছে মসজিদটি। চারপাশে রয়েছে দেওয়াল। প্রার্থনা কক্ষের মধ্যে নেই কোনো জানালা। কাঁচা মাটি দ্বারা পলেস্তরার স্তর দেওয়া আছে দেওয়ালে। তবে বাতাস আসা-যাওয়ার জন্য মূল ফটকের ওপর কিছুটা অংশ প্রায়ই খোলা থাকে। প্রার্থনা কক্ষে আলো আসার জন্য রয়েছে ছোট ছোট কয়েকটি ফাঁকা জায়গা। প্রার্থনা কক্ষের ভেতরে ছোট মিহরাব ও একটি মিম্বার রয়েছে। মসজিদের ছাদে ভিন্ন রকমের চারটি গম্বুজ, মসজিদের সামনে একটি পানির কূপ ও পেছনে দুটি দুর্গ রয়েছে। ভেতরের দেওয়ালে কোনো কোনো অংশে সাধারণ কারুকাজ করা। কুরআন রাখার জন্য দেওয়ালের চারপাশে ঘন আকৃতির বক্স করা আছে। মসজিদের ভেতরে কিছু কুরআন শরিফ, কয়েকটি বাতি, মাইক, একটি দেওয়ালঘড়ি ও একটি বিদ্যুৎচালিত পাখা রয়েছে। এ ছাড়া এখানে রয়েছে একটি অতিপ্রাচীন বরই গাছ।

দৌলতপুরে প্রান্তিক কৃষকের মাঝে প্রণোদনার বীজ ও সার বিতরন

আল বিদিয়া মাটির মসজিদ

আপডেট সময় ০২:৩৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজিরা আল বিদিয়া নামক স্থানে রয়েছে প্রায় ৬০০ বছরের পুরোনো প্রাচীন একটি মসজিদ। মসজিদটি ‘আল বিদিয়া মসজিদ’ নামে পরিচিত। মসজিদের নামকরণে এ স্থানের নামকরণ করা হয়েছে ‘আল বিদিয়া’ নামে। ফুজিরাহ শহর থেকে ৫০ কিলোমিটার উত্তরে মসজিদটি অবস্থিত। প্রবাসীদের কাছে ‘আল বিদিয়া মাটির মসজিদ’ হিসাবে ব্যাপক পরিচিত রয়েছে মসজিদটির। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, মসজিদটি প্রায় ৬০০ বছরের পুরোনো। ৫৩ বর্গমিটার (৫৭০ বর্গফুট) আয়তনজুড়ে নির্মিত হয় প্রাচীন এ মসজিদ। আরব উপসাগরের তীরে নৌপথে যোগাযোগের মাধ্যম থাকায় অনেকের মতে, ইসলাম প্রচারের জন্য এ অঞ্চলে আগত কয়েকজন সাহাবা হাজার বছর আগে পাহাড় কেটে এ মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। সাগরের তীর কাছে থাকায় ও এ এলাকায় মানুষের জনবসতি থাকায় এ স্থানটি তারা (সাহাবারা) ইসলাম প্রচারের মাধ্যম হিসাবে মসজিদটি নির্মাণ করেছেন।

জানা যায়, ফুজাইরাহ প্রত্নতত্ত্ব ও ঐতিহ্য বিভাগ এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিল যে, মসজিদটি ১৪৪৬ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। ১৯৯৭-৯৮ সালে মসজিদটির নির্মাণকাল নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় ফুজিরাহ প্রত্নতাত্ত্বিক কেন্দ্র দ্বারা অনুসন্ধান করা হয়। সরেজমিন মসজিদে গিয়ে দেখা যায়, ঐতিহাসিক এ মসজিদটির পুরোটাই মাটি ও পাথরের তৈরি। একটিমাত্র পিলারের ওপর ভর করে আছে মসজিদটি। চারপাশে রয়েছে দেওয়াল। প্রার্থনা কক্ষের মধ্যে নেই কোনো জানালা। কাঁচা মাটি দ্বারা পলেস্তরার স্তর দেওয়া আছে দেওয়ালে। তবে বাতাস আসা-যাওয়ার জন্য মূল ফটকের ওপর কিছুটা অংশ প্রায়ই খোলা থাকে। প্রার্থনা কক্ষে আলো আসার জন্য রয়েছে ছোট ছোট কয়েকটি ফাঁকা জায়গা। প্রার্থনা কক্ষের ভেতরে ছোট মিহরাব ও একটি মিম্বার রয়েছে। মসজিদের ছাদে ভিন্ন রকমের চারটি গম্বুজ, মসজিদের সামনে একটি পানির কূপ ও পেছনে দুটি দুর্গ রয়েছে। ভেতরের দেওয়ালে কোনো কোনো অংশে সাধারণ কারুকাজ করা। কুরআন রাখার জন্য দেওয়ালের চারপাশে ঘন আকৃতির বক্স করা আছে। মসজিদের ভেতরে কিছু কুরআন শরিফ, কয়েকটি বাতি, মাইক, একটি দেওয়ালঘড়ি ও একটি বিদ্যুৎচালিত পাখা রয়েছে। এ ছাড়া এখানে রয়েছে একটি অতিপ্রাচীন বরই গাছ।